ভোজ্য তেলের দাম আকাশছোঁয়া, বেড়েছে ৩০ শতাংশ, উদ্বেগ প্রকাশ করলো কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব

খাদ্যদ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধিতে নাজেহাল দেশবাসী। অথচ সরকারের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। বিশেষত করোনার জেরে পরিস্থিতি আরও হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে। তবে বিগত এক বছরে যখন ভোজ্যতেলের দাম অন্তত ৩০ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে তখন কেন্দ্রের টনক নড়লো। ভোজ্যতেলের দাম নিয়ন্ত্রণে এবার নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্রীয় প্রশাসন। কেন্দ্রীয় সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রী সভার আয়োজিত বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

বিগত এক বছরে করোনার প্রভাব পড়েছে চাষ-বাসের উপর। বিশেষত তৈলবীজের চাষের উপর করোনার বেশ নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। আমদানির অভাবে একাধিক ভোজ্য তেলের কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে তেলের দামের উপর। সর্ষে, বাদাম, সোয়াবিন, বনস্পতি, সানফ্লাওয়ার, পাম তেলের মতো ভোজ্যতেল গুলির দাম প্রায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ হারে বেড়েছে।

উল্লেখ্য, বিগত কয়েকদিনে আলু এবং পেঁয়াজের দামের ঊর্ধ্বগতিতে নাজেহাল হতে হয়েছিল দেশবাসীকে। এরপর কেন্দ্রের তরফ থেকে পেঁয়াজের আমদানি বাড়িয়ে দামে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। কেন্দ্রের হস্তক্ষেপে আলুর দামের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। এবার অমিত শাহের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় তেলের চড়া দামের বিষয়টি আলোচনার বিষয়বস্তু হিসেবে উত্থাপিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, কলকাতায় প্রতি কেজি সরষের তেলের দাম ১৩৭ টাকায় পৌঁছেছে। গত বছর এই সময় প্রতি কেজি সরষের তেলের দাম ছিল ১০১ টাকা। বনস্পতি তেলের দামেও ব্যাপক বৃদ্ধি ঘটেছে। গত বছর এই সময় বনস্পতি তেলের দাম ছিল প্রতি কেজি ৭২ টাকা। এখন তার প্রতি কেজি ১০০ টাকায় পৌঁছেছে। গত বছর প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ছিল ৯০ টাকা এবং চলতি বছরে তার দাম দাঁড়িয়েছে ১১০ টাকায়।