কফির দা’ম ৭ হাজার, কলার দা’ম ৩ হাজার টা’কা, খাদ্য স’ঙ্ক’টে কা’বু কিমের দেশ

উত্তর কোরিয়ায় প্রবল খাদ্য সংকটের মুখে পড়েছেন দেশের নাগরিকেরা। স্বৈরাচারী শাসক কিম জং উন-এর দেশে খাদ্য সামগ্রীর দাম আকাশ ছুঁয়েছে। স্বয়ং শাসক কিম জং উনও স্বীকার করে নিয়েছেন যে, দেশে খাদ্যের অভাব দেখা দিয়েছে। উত্তর কোরিয়ার সরকারি নিউজ এজেন্সি কোরিয়াল সেন্ট্রালের প্রতিবেদন অনুসারে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। খাদ্য সামগ্রীর অভাবে রীতিমতো ধুঁকছে উত্তর কোরিয়া।

ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে গত বছর ঝড়ের কারণে উত্তর কোরিয়ার কৃষিক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যে কারণে খাদ্য সামগ্রী উৎপাদন করতে ব্যর্থ উত্তর কোরিয়া। নর্থ কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়াংয়ে খাদ্য সংকট এত ব্যাপক মাত্রা লাভ করেছে যে খাদ্য সামগ্রীর দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে।

এক কেজি কলার দাম ৩ হাজার ৩৩৫ টাকা, ব্ল্যাক টিয়ের একটি প্যাকেটের দাম ৫ হাজার ১৯০ টাকা, কফির একটি প্যাকেটের দাম ৭ হাজার ৪১৪ টাকার আশেপাশে পৌঁছে গিয়েছে সেই রাষ্ট্রে। দেশের এই খাদ্য সংকট দূর করতে সেন্ট্রাল কমিটির বৈঠকে শাসকের তরফ থেকে ইতিমধ্যেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিটির সদস্যদের। ইউনাইটেড নেশনের ফুড অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচার অর্গানাইজেশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে এই মুহূর্তে রাষ্ট্রে ৮ লক্ষ ৬০ হাজার টনের কাছাকাছি খাদ্যসামগ্রীর অভাব ধরা পড়েছে।

এদিকে করোনার কারণে কোরিয়ার সীমান্ত আপাতত বন্ধ। যার ফলে বিদেশ থেকে খাদ্য সামগ্রী আনা নেওয়ার ক্ষেত্রেও বিশেষ কোনো পথ নেই। অবশ্য উত্তর কোরিয়াতে এ পর্যন্ত কেউ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা যায়নি। তবে করোনার কারণে না হোক খাদ্যাভাবের কারণে চরম সংকটে পড়েছে উত্তর কোরিয়া।