সুন্দরী যুবতীর চুম্বন নিয়েছিলেন ঘুষ হিসেবে, কাজ হারালেন পুলিশকর্মী

স্বাভাবিক ভাবেই আমাদের দেশের আইন কানুন গুলো কেউ যাতে জনসাধারণ মেনে চলতে পারে তার জন্য নজর রাখে আইন ব্যবস্থা এবং যেখানে পুলিশকর্মীরা অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করে। প্রত্যেকটা নিয়ম যাতে রাস্তার থেকে শুরু করে সমাজের সমস্ত জায়গায় সাধারণ মানুষেরা মেনে চলতে পারে সেই দিকে লক্ষ্য রাখে। কিন্তু সমাজে নানা রকম সমস্যার তখনই হয়ে থাকে যখন আইনি ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত কোন এক কর্মী তার দায়িত্বকে ঠিকমতো পালন করেন না।

এইবার সেই গাফিলতির সঠিক শিক্ষা পেল এক পুলিশ কর্মী। করোনা পরিস্থিতির মতো এক ভয়াবহ পরিস্থিতিতে তার কর্তব্য সঠিকভাবে না করার শাস্তি তাকে পেতে হল। গত বছরে গোটা বিশ্ব জুড়ে করোনার মতো মহামারী থাবা যখন এসে সকল মানুষের জীবনের ওপর পরল, তখন বিশ্ববাসীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা স্থির হয়ে পড়েছিল। চারিদিকে দেখা দিয়েছিল অস্বাভাবিক একটি পরিস্থিতি। হাজার হাজার মানুষ করোনাই আক্রান্ত হচ্ছিল, মারা যাচ্ছিল এবং তার পাশাপাশি কত মানুষ তাদের চাকরি হারাচ্ছিল।

এই রকম পরিস্থিতিতে করোণা মহামারীর মত একটি রোগের সঙ্গে মোকাবেলা করার জন্য প্রথম সারিতে ছিলেন চিকিৎসক-নার্স সহ পুলিশ। পুলিশের দায়িত্ব ছিল করোনার সময়ে যখন লকডাউন ছিল সেই সময়ে জনসাধারণকে তাদের বাড়িতে আটকে রাখা, কিন্তু এইরকম একটি পরিস্থিতিতে এক পুলিশকর্মীর অবুদ্ধিতার জন্য ভুগতে হলো তার ফল।

করোনা পরিস্থিতি সময় যখন লকডাউন ছিল সেই সময়ে এক মহিলা সমস্ত বাধানিষেধের না মেনে রাস্তায় বেরিয়ে ছিলেন, ওই পুলিশ তখন তাকে রাস্তায় আটক করে তার সম্পর্কে লিখছিলেন, সেই সময়ে সেই মহিলাটি সেই জায়গা থেকে ছাড়া পাওয়ার জন্য সেই পুলিশকর্মীকে দিয়েছিল এক প্রস্তাব। সেই প্রস্তাব হলো চুম্বন। ওই পুলিশকর্মীকে চুম্বনের বিনিময়ে ছাড়ার কথা বলেছিলেন, এবং ওই পুলিশকর্মী রাজি হয়ে গেছিল।

এই ঘটনাটি পেরুর রাজধানী লিমা শহরের মিরাফ্লোরেস বোর্ডওয়াক এলাকায় ঘটেছে। চুমুর বিনিময়ে ওই মহিলাকে ওই পুলিশ কর্মী ছেড়ে দেন। এই সমস্ত ঘটনাটি স্থানীয় একটি চ্যানেলে দেখানো হয় এবং পুরো ঘটনাটি সকলের সামনে আসার পর ওই পুলিশকর্মীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। করোণা মহামারীর সময় সামাজিক দূরত্ব তিনি অমান্য করেছেন বলে অভিযোগ আনা হয়েছে ওই পুলিশকর্মীর ওপর, এবং সাথে আইন এর সমস্ত নিয়ম ভঙ্গ করে ওই মেয়েটির সাথে মাস্ক খুলে চুম্বন করার অভিযোগ।