বাধা পাচ্ছে উত্তুরে হাওয়া, তবে রাজ্যে বজায় থাকবে ঠান্ডা, দেখে নিন কবে থেকে বাড়বে তাপমাত্রা

ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহ থেকেই রাজ্যজুড়ে জাঁকিয়ে শীত পড়তে শুরু করেছে। ফলে রীতিমত শীতে কাঁপতে কাঁপতেই ক্রিসমাস পর্ব পালন থেকে শুরু করে নতুন বছরের অভ্যর্থনা সেরে ফেলছে বাঙালি। তবে ঋতু পরিবর্তনের নিয়ম মেনে প্রকৃতির এহেন কনকনে ঠান্ডা ভাব কিন্তু বেশ উপভোগ করছেন বঙ্গবাসী। তাইতো প্রবল ঠান্ডার মধ্যেও নববর্ষের শুভাগমন ঘিরে বাঙালির উন্মাদনা কিছু কম নেই।

এদিকে আবহাওয়া দপ্তরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন বছরের প্রথম দিনে অবশ্য গত বছরের তুলনায় তাপমাত্রার পারদ অন্তত এক ডিগ্রি সেলসিয়াস ঊর্ধ্বে উঠেছে। বছরের শেষ দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আবহ বিশেষজ্ঞদের মতে যা একেবারেই স্বাভাবিক। আবার বাতাসে জলীয়বাষ্পের উপস্থিতি ছিল ৮৯ শতাংশ। ফলে বর্ষশেষে শীতের দাপট বেশ ভালোমতোই টের পেয়েছে বাঙালি।

তবে নতুন বছর আসার সঙ্গে সঙ্গেই তাপমাত্রার পারদ উপরের দিকে উঠতে চলেছে বলে জানাচ্ছে আলিপুর। তার আগে অবশ্য আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা কিছুটা হলেও নিচের দিকে নামবে। কিন্তু রবিবার থেকে রাজ্যের তাপমাত্রা উপরের দিকে উঠতে শুরু করবে। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আগত শীতল হাওয়ার জেরে আগামী বেশ কয়েকদিন সকাল এবং সন্ধ্যা হাড়কাঁপানো শীতের অনুভূতি বাঙালির সঙ্গী হবে।

আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, আগামী রবিবার জম্বু কাশ্মীরের আরও এক দফা পশ্চিমী ঝঞ্ঝার আগমন হতে চলেছে। এর ফলে অবশ্য উত্তর-পশ্চিম থেকে আগত হিমেল হাওয়া বাধাপ্রাপ্ত হবে। এদিকে বঙ্গোপসাগর থেকে আগত পূবালী হওয়া এবং উত্তর-পশ্চিম ভারতের পশ্চিমী ঝঞ্জার মুখোমুখি সংঘাতে আগামী সোমবার সারা দেশজুড়ে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বজায় থাকবে। সেদিনই আবার জম্মু কাশ্মীরের লাদাখ, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে প্রবল তুষারপাতের সম্ভাবনা আছে।