চিনের দাদাগিরিকে তুলোধোনা করতে বঙ্গোপসাগরে শুরু নৌ মহড়া, সমুদ্রে গর্জে উঠছে ভারতীয় রণতরী

গতকয়েকমাস থেকে দুই দেশের মধ্যে সীমান্তের লড়াই। যা এখন কম তো হয়ই নি, বরং আরও বেড়ে গেছে। দিনের পর দিন চিন তাদের শক্তি ও সেনা বৃদ্ধি করে চলেছে। কিন্তু তাতে যে এবার কাজের কাজ কিছুই হবে না সেটা বুঝিয়ে দিয়েছে ভারত। কারণ বঙ্গোপসাগরে এক মহড়ার মাধ্যমেই এবার সেই বার্তা দিয়ে দিল ভারত, মালাবার ২০২০। এই মহড়া চলবে একেবারে দুই দফায়। আর ভারত প্রশান্তমহাসাগরীয় অঞ্চলে এই মহড়ায় অংশ নিতে চলেছে আমেরিকা, জাপান, ভারত ও অস্ট্রেলিয়া। এই সীমান্ত উত্তেজনায় মহড়াতে অস্ট্রেলিয়ার যোগদান যে এক নতুন মাত্রা যোগ করছে সেটা কিন্তু স্পষ্ট। যদি দেখা যায় তাহলে গত ১৩ বছরের পর আবার এই মালাবার গোষ্ঠীতে ফিরল অস্ট্রেলিয়া, যা চিনের কাছে এক বড় ধাক্কা বলেই মনেকরছে বিশেষজ্ঞের দল।
এদিকে গতকাল মঙ্গলবার থেকেই এই মহড়া শুরু হয়ে গেছে, যা কিনা চলবে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত। এই নৌমহড়ায় নেতৃত্বে রয়েছেন ইস্টার্ন ফ্লিটের কমান্ডিং ফ্ল্যাগ অফিসার রিয়ার অ্যাডমিরাল সঞ্জয় বাৎস্যায়ন। এই মহড়ার শক্তি প্রদর্শন করার জন্য ভারতের তরফ থেকে যোগ দিচ্ছে ফ্রিগেট শিবালিক, প্যাট্রোল ভেসেল সুকন্যা, ডেস্ট্রয়ার রণবিজয়, সাবমেরিন সিন্ধুরাজ এদিকে উপকূলের দিকে নজর চালাচ্ছে ডর্নিয়ার এয়ারক্রাফট,পি-8 আই ও সাথে একাধিক হেলিকপ্টার।
অন্যান্য দেশের নৌবাহিনীর কথা যদি বলতে হয় সেখানে মার্কিন নৌবাহিনীর, জাপানের মেরিটাইম সেল্ফ ডিফেন্স ফোর্স ও অস্ট্রেলিয়ার অস্ট্রেলিয়ান নেভি সবাই যোগ দিয়েছে তাদের বিশালাকায়, পারমাণবিক অস্ত্র যুক্ত রণতরী ও সাবমেরিনের সাথে। যার মধ্যে এম এইচ-৬০ কপ্টারবাহী অস্ট্রেলিয়ার যুদ্ধজাহাজ বাল্লারট, আমেরিকার জন এস ম্যাককেন ও জাপানের যুদ্ধজাহাজ ডেস্ট্রয়ার ওমানি।
এটা আজকের কথা নয়, একেবারে ১৯৯২ সাল থেকেই চলে আসছে এই দ্বিপাক্ষিক চুক্তি। সেখানে আমেরিকার সাথেই নৌমহড়া শুরু করেছিল। আর সেখানেই ২০১৫ সালে মালাবার মহড়ায় যুক্ত হয় জাপান নৌবাহিনী। আর এবার অস্ট্রেলিয়ার ফিরে আসা নিয়ে বেজিং অনেকটাই চাপের মধ্যে।