জয়পুরের রাজমাতা তথা কোচবিহারের রাজকন্যা গায়ত্রী দেবীর জীবন ফুটে উঠবে পর্দায়

জয়পুর রাজ ঘরনার সুন্দরী রাজমাতা তথা দাপুটে রাজনীতিবিদ গায়েত্রী দেবীর জনপ্রিয়তা প্রবল। তার বর্ণময় জীবনগাথা এবার পর্দায় ফুটিয়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করলো জাগারনট প্রোডাকশনস এবং ম্যাঙ্গো পিপল মিডিয়া। বড়পর্দায় গায়েত্রী দেবীকে সফলভাবে ফুটিয়ে তুলতে কলম ধরেছেন বিখ্যাত লেখক ভাবানি আইয়ার। উল্লেখ্য বড় পর্দার জন্য রাজি, ব্ল্যাক এবং লুটেরার মতো ছবির কাহিনিও লিখেছেন ভাবানি আইয়ার।

লেখকের বক্তব্য অনুসারে, জয়পুরের এই রাজমাতা ছিলেন একজন দক্ষনেত্রী, প্রগতিশীল নারী, নারীবাদী মানসিকতার মহিলা। একইসঙ্গে বিশ্বের অন্যতম সেরা সুন্দরীর তকমাও দেওয়া যেতে পারে তাকে। তাঁর সৌন্দর্য মন্ত্রমুগ্ধ করে দিতে পারে। উল্লেখ্য, গায়ত্রী দেবীকে পর্দায় ফুটিয়ে তোলার দায়িত্ব পেয়েছেন বলিউডের অন্যতম স্ক্রিন প্লে লেখক কৌসর মুনির।

উল্লেখ্য কোচবিহারের রাজকুমারী অসাধারণ সুন্দরী গায়ত্রী দেবী মহারাজ দ্বিতীয় সাওয়াই মান সিং -এর তৃতীয় স্ত্রী হোন। তবে তিনি একজন প্রখর বুদ্ধিমতি নারী ছিলেন এবং রাজনৈতিক ক্ষেত্রে তার বিশেষ অবদান ছিল। চক্রবর্তী রাজাগোপালাচারীর স্বতন্ত্র পার্টির সদস্য ছিলেন গায়েত্রী দেবী। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর মতাদর্শের বিরোধী হিসেবেই রাজনৈতিক মহলে জায়গা করে নেন গায়েত্রী দেবী।

চক্রবর্তী রাজা রাজাগোপালাচারীর স্বতন্ত্র পার্টির প্রার্থীর হয়ে ১৯৬২ সালের লোকসভা নির্বাচনে ব্যাপক ভোটে কংগ্রেসকে হারিয়ে ছিলেন গায়েত্রী দেবী। তার এই জয়ের ব্যবধান গ্রিনিজ বুক অব রেকর্ডেও স্থান পেয়েছে। ১৯৬৭ এবং ১৯৭১-এর লোকসভা নির্বাচনেও কংগ্রেসকে হারাতে সক্ষম হয়েছিলেন তিনি। অপরপক্ষে ভোগ ম্যাগাজিনে বিশ্বের সেরা দশ সুন্দরী মহিলার মধ্যে একজন হয়ে ফ্যাশনের দুনিয়ায় সেরা স্টাইল আইকন হিসেবেও সমাদৃত হয়েছেন গায়ত্রী দেবী। তার বর্ণময় জীবন যাত্রা শীঘ্রই বড় পর্দায় ফুটে উঠবে। আরও বেশি মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়বেন তিনি।