আইডিয়া মন্দ নয়, প্রেমিকার নাক ডাকা বন্ধ করতে গাল চেটে দিলো যুবক, কাজও হলো তড়িৎ গতিতে

এমন অনেক বার হয়েছে যে, ঘর অন্ধকার। আপনি অঘোরে ঘুমোচ্ছেন, হঠাৎ করে কানে ভেসে এলো নাক ডাকার শব্দ। মাঝরাতে ঘুম ভেঙ্গে যাবার বিরক্তিতে ক্ষেপে গেলেন। এমন কাণ্ড ঘটে বহুবার বহু মানুষের সাথে।কখনো স্ত্রীর নাক ডাকার শব্দ আবার কখনো স্বামীর নাক ডাকার শব্দে ঘুম ভেঙে যায় অপরজনের। অনেকে এই সময়ে রাগ সামলাতে না পেরে ধাক্কা মেরে বিছানায় ফেলে দেয় সঙ্গীকে। তবে এক্ষেত্রে ঘটেছে কিছু অন্য ঘটনা। জেসন গ্রাহাম এবং সারণী ব্রাইট পেনি সদ্য সংসার করতে শুরু করেছিলেন।কিন্তু প্রথম রাত থেকেই রীতিমতো বিনিদ্র রাত কাটাতে হয়েছে জাসন কে। তার বান্ধবি শারণী ঘুমের মধ্যে ভীষণভাবে নাক ডাকতেন। সেই শব্দের আওয়াজে পাশে ঘুমিয়ে থাকা তো দূরের কথা, শুয়ে থাকা কার্যত অসম্ভব।

প্রথমদিকে বহুবার জ্যাশন সে কথা শারণী কে বলেছেন। প্রথমদিকে কিছুতেই একথা বিশ্বাস করতে চাইনি শারণি। তারপর ভিডিও করে সেই শব্দ শোনার পর বিশ্বাস করতে বাধ্য হয়েছে শারনি।তবে এরপরেও নাক ডাকার কোনো বদল হয়নি তার।এদিকে নাক ডাকার দাপটে রীতিমতো রাত কাটাতে কাটাতে বিরক্ত হয়ে পড়েছিলেন জাসন। তখন তিনি অন্য ফন্দি বের করলেন। একদিন রাতে স্ত্রীর নাম টাকা শব্দে ঘুম ভেঙে যায় জেসনের। সঙ্গে সঙ্গে উঠে পড়ে তিনি বান্ধবীকে জাপটে জড়িয়ে ধরেন। বান্ধবীও ঘুমের ঘরে যা সঙ্গে জড়িয়ে ধরেন।এর ফলে জ্যাকসনের কানের কাছে চলে আসে সারণির মুখ।

তখন জ্যাসন অন্য বুদ্ধি বার করলেন। যখনই তার স্ত্রী নাক ডাকতে শুরু করছেন, তখনই ছেড়ে দিচ্ছেন তার স্বামী। গাল ভিজে ভিজে লাগলে ঘুম ভেঙে যাচ্ছে সারণির। আচমকা জেগে তরুণী ভাবছেন, ঘুমের মধ্যে হয়ত মুখ থেকে লালা রস বেরিয়ে এই কাণ্ড ঘটেছে। এ কথা জানতে পারলেই যদি প্রেমিক কিছু মনে করেন তাই এরপর থেকে বেশ সজাগ হয়ে ঘুমাতে যান তিনি। এই অভিনব বুদ্ধি বের করার ফলে কিছুটা হলেও নাক ডাকার শব্দ থেকে রেহাই পান জাসন। পরে যদিও কথায় কথায় প্রেমিকাকে নিজের দূরবস্থার কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন শ্যারনি। এই কথা শুনে রাগ করা তো দূর নিজেদের মধ্যে খুব হাসাহাসি করেছিলেন তারা।