বাংলাদেশে জামিন পাওয়া ৪৪ শতাংশই সন্ত্রাসের সাথে যুক্ত, উদ্বিগ্ন হাসিনা সরকার

দিনের পর দিন বাংলাদেশ নিজেদের জায়গা পাকা করে নিচ্ছে জিহাদিরা, একের পর এক ঘটনা সামনে আসছে। সূত্রের মাধ্যমে জানা যাচ্ছে মুক্তমনাদের হত্যার থেকে মূর্তি ভাঙ্গা পর্যন্ত সমস্ত কাজ তাদের দ্বারাই হচ্ছে। এরই মধ্যে একটি রিপোর্ট প্রকাশ পেয়েছে, যেখানে জানা যাচ্ছে ইতিমধ্যে প্রায় সন্দেহভাজন জঙ্গিদের মধ্যে ৪৪ শতাংশ জঙ্গি ছাড়া পেয়েছে জামিনে। আর সেই কারণেই আগের তুলনায় অনেকটাই খোলামেলা ভাবে তাদের কাজকর্ম চালিয়ে যেতে পারবে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। গতকাল সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবিনারে এই ধরনের চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে।

আর তা জানার পরেই স্বাভাবিকভাবেই চিন্তার মধ্যে পড়ে যায় সাধারণ মানুষ। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক নিলয় বিশ্বাস এই সমস্ত তথ্য তুলে ধরে, এবং তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগ ও ট্রানস্নেশনাল ক্রাইম ইউনিট থেকে এই সমস্ত তথ্য তুলে ধরে। তিনি জানান আনসারুল্লা বাংলা টিমের গ্রেপ্তার ৪৯৯ জনের মধ্যে জামিনে আছে ১৪৬ জন, জামাত-উল-মুজাহিদিন ও নব্য জেএমবির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে গ্রেপ্তার ২ হাজার ১১৩ জনের মধ্যে ৯১১ জন ।আর হিযবুত তাহরীরের গ্রেপ্তার ৯২১ জনের মধ্যে জামিনে আছে ৫৪৫ জন। রিপোর্টে ধরা পড়েছে সমস্ত অপরাধীদের মধ্যে ৩০% আগামীতে এই খুব শিগগিরই ছাড়া পাবে।

এবার তারা যাতে ফের অপরাধমূলক কাজের মধ্যে, জিহাদি কার্যকলাপের মধ্যে জড়িয়ে না পড়ে সেদিকে লক্ষ্য রাখার কথা বলা হয়েছে। দেখা যায় খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের সময় থেকেই এই ধরনের জঙ্গী সংগঠন বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠে। ও তারপর এই দেশের সংখ্যালঘুদের উপরে চলে অত্যাচার। বিএনপি সরকারের আমলেই জন্ম হয় মৌলবাদীর,আর তারপরেই ৯ এর দশক থেকে সৃষ্টি হতে থাকে এই ধরনের জঙ্গি সংগঠন।