বাংলা দখল করাই লক্ষ্য, অভিনব পদক্ষেপ নিয়ে ফেললেন মোদি

ভোট বড় বালাই। বিশেষত বিহারে আশাতীত সাফল্য লাভের পর পরবর্তী ভোটযুদ্ধের স্থান যদি হয় বাংলা, তাহলে স্বভাবতই চাপটা আরো বেড়ে যায়। তবে চাপ যতই বাড়ুক, যতই জটিলতা সম্মুখীন হতে হোক না কেন, বাংলার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত বিজেপি। তাই তো ভোটের স্ট্র্যাটেজি নির্মাণে কোনো ত্রুটি রাখতে চায়না কেন্দ্রীয় শাসক দল। যেন তেন প্রকারেণ বাংলার মানুষের মন জয়ই তাদের একমাত্র লক্ষ্য।

উল্লেখ্য, এবারে বিজেপির তরফ থেকে বাংলার আসন্ন নির্বাচনী ভোটযুদ্ধের নায়ক হিসেবে অবতীর্ণ হয়েছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিশেষত বিহারের মোদি ম্যাজিক যেভাবে কাজ করেছে, বাংলাতেও তার অন্যথা হবে না বলেই আশা করছেন বিজেপির নেতা কর্মীরা। তাই বিজেপির তরফে স্বয়ং মোদীজিকে অগ্রণী করেই ভোটের লড়াই লড়া হবে‌।

ভোটের স্ট্র্যাটেজি যেখানে এই, সেখানে প্রধানমন্ত্রীকেও তো কিছু অনন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করতেই হয়। তাই তিনিও আর দেরি না করে এখন থেকেই বাংলা ভাষা শিখতে আরম্ভ করে দিয়েছেন। যেকোনো মানুষের কাছেই তার মাতৃভাষা বড় প্রিয়। বিদেশি কোনো ব্যক্তিকে যদি নিজ মাতৃভাষায় কথা বলতে শোনা যায়, তাহলে শরীর রোমাঞ্চিত হবেই। বাংলার মানুষের মনে জায়গা করে নিতে হিন্দিভাষী প্রধানমন্ত্রী তাই বাংলায় কথা বলা শিখছেন।

কেন্দ্রের অন্দরমহল সূত্রে খবর, বাংলার স্পষ্ট উচ্চারণ শিখতে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রী। তাই আপাতত তিনি বাংলা ভাষাকে হিন্দি হরফে লিখে বাংলার স্পষ্ট উচ্চারণ শিখছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগে তাঁকে সাহায্য করছেন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর এবং দলের জাতীয় স্তরের বাঙালি নেতারা। তাঁরাই প্রধানমন্ত্রীকে বাংলা ভাষার স্ক্রিপ্ট লিখে দিচ্ছেন এবং প্রধানমন্ত্রী তার চর্চা করছেন। শুধু তাই নয়, বাঙালি মনীষীদের জীবন বৃত্তান্ত নিয়েও পড়াশোনা করছেন প্রধানমন্ত্রী। ভোট উপলক্ষে এবার বাংলা মানুষের সঙ্গে একাত্ম হতে বদ্ধপরিকর নরেন্দ্র মোদি।