সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে ১০ কোটি টা’কা’র স’ম্প’ত্তি নি’য়ে ফিরলেন মৎস্যজীবীরা

অ্যাম্বারগ্রিজ! সাধারণ মানুষ যাকে তিমির বমি হিসেবেই জানেন। তবে এই তিমির বমি কিন্তু মহামূল্যবান সম্পদ। বাজারে এর চাহিদা প্রচুর। প্রধানত কসমেটিকস এবং সুগন্ধি পারফিউম তৈরি করার কাজে লাগে অ্যাম্বারগ্রিজ। এছাড়াও প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতিতেও অ্যাম্বারগ্রিজের যথেষ্ট ব্যবহার হয়। যার ফলে বাজারে সাধারণত এই অ্যাম্বারগ্রিজের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। এর দাম প্রায় কোটি টাকা সম্পদের সমান।

সম্প্রতি ১২৭ কেজি ওজনের অ্যাম্বারগ্রিজ পেয়ে কোটিপতি হয়ে গেলেন ইয়েমেনের বেশ কিছু মৎস্যজীবী। দক্ষিণ ইয়েমেনের সেরিয়াহ উপকূলের কাছে এডেন উপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে একটি বিশাল আকৃতির মরা তিমি মাছ দেখতে পান তারা। স্পার্ম হোয়েল প্রজাতির ওই মৃত তিমি মাছের শরীর থেকেই উদ্ধার করা হয়েছে ১২৭ কেজি ওজনের অ্যাম্বারগ্রিজ! এই অ্যাম্বারগ্রিজের বাজার মূল্য ১০ কোটি টাকার সমান।

অ্যাম্বারগ্রিজ আসলে তিমির অন্ত্র থেকে ক্ষরিত একধরনের মোম জাতীয় পদার্থ। যে পদার্থ জমাট বাঁধলে তিমি মাছ সেটিকে মুখ অথবা পায়ুপথের মাধ্যমে সমুদ্রে নিক্ষেপ করে। সেই অ্যাম্বারগ্রিজ সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করে কোটিপতি হয়ে যান মৎস্যজীবীরা। এক্ষেত্রেও তেমনটাই হয়েছে। মৃত তিমি মাছের দেহ নিঃসৃত তীব্র গন্ধ থেকেই কার্যত তার শরীরের মধ্যে অ্যাম্বারগ্রিজের উপস্থিতি সম্পর্কে সন্দিহান হয়েছিলেন মৎস্যজীবীরা।

এরপর সেটিকে তীরে নিয়েছে তার পেট কাটতেই বিশাল আকৃতির অ্যাম্বারগ্রিজটি দেখতে পান মৎস্যজীবীরা। অ্যাম্বারগ্রিজ বিক্রি করার টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেবেন। তবে ওই টাকার কিছু অংশ অবশ্য গরীব মৎস্যজীবীদের দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। হঠাৎ কোটিপতি হয়ে গিয়ে স্বভাবতই আনন্দে উচ্ছ্বসিত ওই মৎস্যজীবীরা।