জম্মু সীমান্তে ফের চললো গুলি, শহীদ এক জওয়ান, চলছে তল্লাশি

গত কয়েকদিন আগেই ঘটেছে এক ঘটনা তার ঠিক দুই দিনের মাথায় ফের উপত্যকায় শুরু পাক সেনা জঙ্গীর অত্যাচার। গত কয়েকদিন আগেই নাগরোটায় পাকরাও করা হয়েছিল চারজন জইশ-ই মহম্মদের জঙ্গী, তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় বিপুল পরিমাণে বিস্ফোরক, গোলাবারুদ। এবার তারপরেই গতকাল শনিবার উপত্যকার বিভিন্ন সেক্টরে পাক সেনার সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন। যার ফলে লাম সেক্টরে শহীদ হয়েছে এক ভারতীয় সেনা, এদিকে আবার কাঠুয়া সেক্টরে জখম হয়েছে এক সেনা জওয়ান। এখানেই শেষ না সাম্বা সেক্টরে দেখা পাওয়া গেছে পাক সেনার গুপ্তচর ড্রোনের। কিন্তু এরপরে ভারতীয় সেনা চুপ করে থাকে নি দিয়েছে তার মোক্ষম জবাব। পাক সেনা ও জঙ্গীদের এমন বারবারন্ত যা ইঙ্গিত দিচ্ছে, হয়তো শীতের আগেই কাশ্মীরে কোনো বড় নাশকতার ছক কষছে তারা।

কিন্তু সেটা যে একেবারেই মাঠে মারা যাবে সেটার ইঙ্গিতও দিয়ে দিয়েছে ভারতীয় সেনা। আসলে গোয়েন্দা মারফত যে খবর আসছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে সেখানে জানা যাচ্ছে, এই বরফ পরার আগেই উপত্যকায় এক বড় ধরনের নাশকতার ছক কষছে পাক সেনা ও জঙ্গীরা। কারণ পাক সেনা এই সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে পাক জঙ্গীদের কভার করার জন্য সেটা স্পষ্ট। যখন ভারতীয় সেনারা পাক সেনাদের জবাব দেওয়ার দিকে ব্যস্ত থাকবে তার মধ্যেই যেনো জঙ্গীরা ভারতে অনুপ্রবেশ করতে পারে। ইতিমধ্যে সীমান্তে বাড়ানো হয়েছে নজরদারী। তবে গোয়েন্দা সূত্রে খবর, লঞ্চ প্যাড গুলোতে , সীমান্ত ও নিয়ন্ত্রণ রেখায় তৈরী হয়ে আছে পাক জঙ্গী। এই পাকিস্তানের সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের কারণে এখনো পর্যন্ত ৫ জন সেনা শহীদ হয়েছেন ও সাথে আরও ১১ জন নিহত হয়েছে।

কাশ্মীর পুলিশের মতে, এই যে নাগরোটার ঘটনা সেটা কিন্তু আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে , কারণ চারজন জঙ্গী দের পাকরাও করা হয়েছে সেটা বড় কথা নয়, সাথে তাদের কাছ থেকে যে বিপুল পরিমাণে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে সেটা দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে আগামী দিনে এক বড় ধরনের নাশকতার ছক করছে পাকিস্তান। আগামীতেই কাশ্মীরের নির্বাচন মুম্বাই হামলার বর্ষপূর্তি। জঙ্গীদের গাড়িতে ছিল ২০ মিটার ফিউজ় তার, ৬টি ডিটোনেটর, একটি আন্ডার ব্যারেল গ্রেনেড লঞ্চার, ৩৪টি গ্রেনেড, ১১টি অ্যাসল্ট রাইফেল, ২৪টি ম্যাগাজিন, সাড়ে ৭ কেজি আরডিএক্স, তিনটি পিস্তল।।