মালদায় ধৃ’ত চীনা নাগরিককে জে’রা’য় উ’ঠে এলো চা’ঞ্চ’ল্য’ক’র ত’থ্য, জেনে নিন

সম্প্রতি মালদা থেকে ধরা পড়লো চীনের গুপ্তচর! নাম তার হান জুনেই। তবে শুধু সে একা নয়। তার এক সঙ্গীও রয়েছে যে এই মুহূর্তে লখনৌতে রয়েছে। তার ওই সঙ্গীর নাম সান জিয়াং। তাকেও কয়েকদিন আগেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চীনের এই দুই নাগরিক রীতিমতো ষড়যন্ত্র করেই ভারতে প্রবেশ করেছে বলে দাবি করছেন বিএসএফের সদস্যরা। আপাতত ওই ব্যক্তি বিএসএফের হেফাজতেই রয়েছে।

বিএসএফের অনুমান, হানকে ভালো করে জেরা করলেই তার থেকে বহু তথ্য পাওয়া যাবে। চিনের হুবেই প্রদেশের বাসিন্দা ওই ব্যক্তি বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ থেকে মালদহ সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করতে গিয়েই ধরা পড়ে যায়। প্রাথমিকভাবে সে বিএসএফকে জানিয়েছিল, ২রা জুন বিজনেস ভিসা নিয়ে বাংলাদেশের (Bangladesh) চাপাইনবাবগঞ্জে আসে সে। সেখানে কিছুদিন সে এক চীনা বন্ধুর বাড়িতে ছিল।

এরপর আবার ৮ তারিখে চাপাইনবাবগঞ্জ থেকে ভারতীয় সীমান্তের দিকে সোনা মসজিদের কাছে আসে ওই ব্যক্তি। সেখানে দুদিন হোটেলে ছিল সে। বৃহস্পতিবার মালদহের কাঁটাতারহীন সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করতে গিয়েই কার্যত ভারতীয় সেনার হাতে সে ধরা পড়ে যায়। বিএসএফ তাকে জেরা করে জানতে পেরেছে যে ২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত চারবার সে ভারতে এসেছে।

তিনবার দিল্লি এবং একবার হায়দ্রাবাদে গিয়েছিল হান জুনেই। দিল্লি লাগোয়া গুরুগ্রামে ‘স্টার স্প্রিং’ নামের একটি হোটেলের মালিক সে। প্রসঙ্গত তার কাছে কোনো বৈধ ভিসা ছিল না। বৃহস্পতিবার তাকে গ্রেপ্তার করার পর বিএসএফের সদস্যরা তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন, সিম কার্ড, মার্কিন ডলার, বাংলাদেশি টাকা উদ্ধার করেছেন স্বভাবতই তাকে জেরা করেছে তথ্য উঠছে তা বিবেচনা করে বিএসএফের সন্দেহ ভারতে ঘাঁটি গেড়েছে আসলে চীনের হয়ে গুপ্তচরের কাজ করার চেষ্টা করছিলো না তো?