“স্বাস্থ্যসাথী” নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর খোলা চিঠি রাজ্যবাসীর উদ্দেশ্য, দেখুন কি বললেন আপনাকে

আসন্ন একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার মসনদ নিয়ে তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে কার্যত হাড্ডাহাড্ডি লড়াই বেঁধেছে। বিশেষত বিজেপি এখন বাংলা দখলের লড়াইয়ে রীতিমতো ঝাঁপিয়ে পড়েছে। নিত্যদিনেই তৃণমূলের দল ভাঙাচ্ছে বিজেপি। ফলে রাজ্যে ক্রমশ শক্তি বৃদ্ধি করছে কেন্দ্রীয় শাসক দল। তবে বিজেপি যতই চেষ্টা করুক না কেন, তৃণমূল নেত্রী কিন্তু সহজে হার মানতে নারাজ। তাইতো আসন্ন একুশের লড়াইয়ে তৃণমূলের মাস্টার স্ট্রোক হিসেবে হাজির “দুয়ারে দুয়ারে সরকার” প্রকল্প।

বিশেষত মমতা সরকারের “স্বাস্থ্য সাথী” প্রকল্প এবার বিধানসভা নির্বাচনের গেম চেঞ্জার হিসেবে কাজ করতে পারে। কারণ “স্বাস্থ্য সাথী” প্রকল্পকে কেন্দ্র করে রাজ্যবাসীর উৎসাহ রীতিমতো চোখে পড়ার মতো। বর্তমানে “স্বাস্থ্য সাথী” নিয়ে জোরদার প্রচার চালাচ্ছে তৃণমূল শিবির। এতে অবশ্য অশনিসংকেত দেখছে বিরোধী বিজেপি শিবির। এবার “স্বাস্থ্য সাথী” প্রকল্প নিয়ে রাজ্যবাসীকে খোলা চিঠি প্রদান করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

রাজ্যের প্রত্যেক বাসিন্দার প্রতি তার বার্তা, “আপনাকে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করতে পেরে এবং প্রকল্পের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদান করতে পেরে রাজ্য সরকার ভীষণ আনন্দিত।” তিনি আরও বলেছেন,”আশা করছি, আগামী দিনেও স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদান করে আপনার দৈনন্দিন জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করতে সমর্থ হবে রাজ্য সরকার!”

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারের “দুয়ারে দুয়ারে সরকার” প্রকল্পের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধার রাজ্যবাসীকে সবথেকে বেশি আকর্ষণ করেছে “স্বাস্থ্য সাথী” প্রকল্প। এই প্রকল্প অনুযায়ী, রাজ্য সরকারের তরফ থেকে প্রতিটি পরিবার বছরে পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সাহায্য পাবেন। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, রাজ্যের প্রণীত প্রকল্পের সুবিধা তিনি কখনও গ্রহণ করেন না। তবে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড তিনি বানাবেন। সেই মতো লাইনে দাঁড়িয়ে থাকে কার্ড বানাতে দেখাও গিয়েছে।