আগামী ৩ বছরে ৩৫ লক্ষ কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি মুখ্যমন্ত্রীর

নির্বাচন শিয়রে। তাই এখন হাতে আর যত টুকু সময় বাকি আছে, তা সম্পূর্ণভাবে ব্যবহার করতে কার্পণ্য করছেন না রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা। বিশেষত, বাংলা দখলের লড়াইয়ে রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় শাসক দলের মধ্যে রীতিমতো হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। বাংলার নির্বাচনী লড়াইয়ে কর্মসংস্থানের ইস্যু কিন্তু যেকোনো মুহূর্তে মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। তা আন্দাজ করে এই দুর্বল পয়েন্টকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছেন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা।

উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সম্প্রতি বাংলা সফরে এসেছেন। বাংলায় এসেই তিনি রাজ্যবাসীকে ক্ষমতায় আসার পর কর্মসংস্থানের আশা দেখাচ্ছেন। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে মুখ্যমন্ত্রীর তরফ থেকেও অবশ্য প্রতিশ্রুতির বন্যা বয়ে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার, একটি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নবান্নে একটি প্রশাসনিক বৈঠকের আয়োজন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

এই বৈঠকে বসেই রাজ্যবাসীর উদ্দেশ্যে আগামী ৩ বছরে প্রায় ৩৫ লক্ষ কর্মসংস্থানের আশ্বাস প্রদান করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এ দিনের বৈঠকে সরকারি চাকরি, তথ্য-প্রযুক্তি, কৃষি, বাণিজ্য, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পসহ একাধিক ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় শাসকদলের বিরুদ্ধে কর্মসংস্থানকে হাতিয়ার করেছেন মুখ্যমন্ত্রীও।

এই দিনের বৈঠকে অংশগ্রহণ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সারাদেশে যখন বেকারত্বের হার সর্বোচ্চ, তখন পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্য বাসীর জন্য লক্ষ লক্ষ কর্মসংস্থানের সুবিধা প্রদান করেছেন। তিনি এও দাবি করেছেন, গত নয় বছরের রাজত্বে রাজ্যে প্রায় ২৯ লক্ষ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন তিনি। আসন্ন একুশের নির্বাচনকে ঘিরে তার প্রতিশ্রুতি, আগামী দিনে তথ্যপ্রযুক্তিতে পাঁচ লক্ষ, কৃষি এবং বাণিজ্যে ১০ লক্ষ, মাটি তৈরি প্রকল্পে ৩ লক্ষ এবং হস্তশিল্পে ২ লক্ষ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে রাজ্য সরকার।