৬ টি সরকারি সংস্থার ঝাঁপ বন্ধ করবে কেন্দ্রীয় সরকার, লোকসভায় ঘোষণা করলেন অনুরাগ ঠাকুর

সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর লোকসভায় লিখিত দিয়ে জানালেন, ২০১৬ সাল থেকেই কেন্দ্রীয় সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অংশীদারিত্ব বিক্রি এবং মাইনোরিটি স্টেক ডাইলিউশনের মাধ্যমে একের পর এক বিলগ্নীকরণ করে চলেছেন। বিগত বেশ কয়েক বছর ধরেই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিক্রি করে কেন্দ্রীয় কোষাগারে টাকা তোলা হচ্ছে। অর্থ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রীর প্রদত্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিগত চার বছরে ৩৪টি মামলায় স্ট্র্যাটেজিক বিলগ্নীকরণে অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র।

তথ্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই আটটি মামলার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে গেছে। পাশাপাশি, ৬টি সিপিএসই বন্ধ করার প্রক্রিয়া চলছে। বাকি ২০টি সংস্থা বিলগ্নীকরণের প্রচেষ্টা চলছে। বর্তমানে যে বেসরকারি সংস্থাগুলি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে সেগুলি হল, হিন্দুস্তান ফ্লোরোকার্বন লিমিটেড, স্কুটার্স ইন্ডিয়া, ভারত পাম্প অ্যান্ড কম্প্রেস লিমিটেড, হিন্দুস্তান প্রিফ্যাব, হিন্দুস্তান নিউজপ্রিন্ট এবং কর্ণাটক অ্যান্টিবায়োটিকস অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড।

বিলগ্নীকরণে পথে চলেছে প্রোজেক্ট এন্ড ডেভেলপমেন্ট ইন্ডিয়া লিমিটেড, ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোজেক্ট লিমিটেড, ব্রিজ অ্যান্ড রুফ কোম্পানি লিমিটেড, সিমেন্ট কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেডের ইউনিট, সেন্ট্রাল ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড, ভারত আর্থ মুভার্স লিমিটেড, ফেরো স্ক্র্যাপ নিগম লিমিটেড এবং এনএমডিসি নাগরনার স্টিল প্লান্ট। এছাড়াও অংশীদারিত্ব বিক্রির পথে এগোচ্ছে ওয়েল স্টিল প্লান্ট, সেলম স্টিল প্লান্ট, সেলের ভদ্রাবতী প্লান্ট, পবন হানস, এয়ার ইন্ডিয়াসহ সরকারের আরো পাঁচটি সহযোগী সংস্থা।

ইতিমধ্যেই এইচপিসিএল, আরইসি, ন্যাশনাল প্রোজেক্ট কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন, ট্রেডিং কর্পোরেশন, টিএইচডিসি, এনইইপিসিও ইন্ডিয়া লিমিটেড, কামারাজর পোর্টৈর অংশীদারিত্ব বিক্রির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে গেছে। অনুরাগ ঠাকুরের বয়ান অনুযায়ী, চলতি বছরে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা গুলির বিলগ্নীকরণ করে প্রায় ২.১ লক্ষ কোটি টাকা তোলার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বর্তমানে সমস্ত রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা গুলি ধাপে ধাপে বেসরকারিকরণের পথে এগোচ্ছে।