ব’ড়ো চ’ম’ক রাজ্য রাজনীতিতে, বিড়ম্বনায় গেরুয়া শি’বি’র

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে রাজ্যজুড়ে যে দলবদলের মরসুম শুরু হয়েছিল তাতে কার্যত তৃণমূল দল পরিত্যাগ করে একাধিক নেতাকর্মী বিরোধী বিজেপি শিবিরে নাম লিখিয়েছিলেন। এই দলের তৃনমূল সদস্য রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সব্যসাচী দত্তরাও ছিলেন। তবে নির্বাচন শেষে যখন আবার তৃতীয়বারের জন্য রাজ্যের মসনদে বসলো তৃণমূল সরকার তখন বেসুরো দলবদলুদের মধ্যে অনেকেই আবার পুরনো দলে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

এদের মধ্যে অনেকেই সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে দলে ফেরার জন্য আবেদন জানিয়েছেন। সোনালী গুহ, দীপেন্দু বিশ্বাসরা সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে দলে ফেরার আর্জি জানিয়েছেন। যদিও তাদের সরাসরি এখনো দলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এবার বিজেপি দলের নতুন সদস্য রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় সব্যসাচী দত্তরাও বিজেপি দলের হয়ে বেসুরো গাইতে শুরু করেছেন।

দলে থেকেই তারা ক্রমশ দলের বিরুদ্ধে কথা বলতে শুরু করেছেন। এতে বিজেপির অস্বস্তি বাড়ছে বৈ কমছে না। এর ফলে এবার বেসুরোদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে বিজেপি। দলের বিরুদ্ধে কথা বললে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, সব্যসাচী দত্তদের ভবিষ্যতে দল থেকে বহিষ্কার করতে পারে বিজেপি। দলের অভ্যন্তরে এমনই গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

এদিকে দীপেন্দু বিশ্বাস এবং সোনালী গুহরাও মমতা বন্দোপাধ্যায়ের দলে ফেরার আবেদন জানিয়েছেন। অতএব তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। বিজেপি নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বিগত কয়েক দিন ধরেই দল বিরোধী মন্তব্য পেশ করে চলেছেন। এতে কার্যত বেজায় বিপাকে পড়েছে বিজেপি। এই নিয়ে তার দলবদলের সম্ভাবনাও দেখা দিয়েছে। তার আগেই অবশ্য তাদের বহিষ্কার করা হতে পারে বলে বিজেপি সূত্রে খবর।