রাজ্যে স্কুল খোলাকে কেন্দ্র করে বড়ো ঘোষণা, শিক্ষামন্ত্রীর কথায় বাড়লো জল্পনা

গত বছরের মার্চ মাস থেকেই পশ্চিমবঙ্গের তথা সমগ্র দেশের বিভিন্ন প্রান্তের স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে। করোনাকালে পড়ুয়া এবং শিক্ষকেরা যাতে আক্রান্ত হয়ে না পড়েন‌ সেই উদ্দেশ্যেই এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অন্যান্য রাজ্যগুলিতে ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরছে শিক্ষা ব্যবস্থা। কিন্তু, বর্তমান পরিস্থিতিতে এখনো ছন্দে ফিরতে পারেনি বাংলা। বাংলার করোনা পরিস্থিতি বুঝেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে রাজ্য সরকার।

তবে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানালেন, রাজ্য স্কুল সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির স্যানিটাইজেশন প্রক্রিয়া শুরু করার ভাবনা চিন্তা চলছে। রাজ্য সরকারের নির্দেশ পেলেই স্কুলের পঠন-পাঠন শুরু করে দেওয়া যাবে। শিক্ষামন্ত্রীর এহেন বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আশা করা যাচ্ছে অন্যান্য রাজ্যগুলির মতো বাংলাতেও অনতিবিলম্বেই স্কুলর পঠন-পাঠন শুরু হয়ে যাবে।

স্কুল শিক্ষা দপ্তর সূত্রে খবর, স্কুলের পঠন পাঠন শুরু করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কি কি নির্দেশিকা মেনে চলতে হবে সে সংক্রান্ত একটি গাইডলাইন প্রস্তুত করার কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে। স্কুলের পঠন-পাঠন শুরু হলে প্রতিটি ক্লাসরুমে কতজন ছাত্র ছাত্রী বসতে পারবেন, কত জন ছাত্রছাত্রীকে একসঙ্গে স্কুলে ডাকা যেতে পারে, সেই সংক্রান্ত যাবতীয় নির্দেশিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে।

রাজ্য শিক্ষামন্ত্রী এবং স্কুল শিক্ষা দপ্তরের বয়ান অনুসারে এরাজ্যে ওয়েবার শীঘ্রই স্কুলের পঠন-পাঠন শুরু হতে চলেছে বলে আশা করছেন পড়ুয়া এবং অভিভাবকরা। তবে শিক্ষামন্ত্রী সাফ বক্তব্য, রাজ্য সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই এক্ষেত্রে কার্যকর হবে। অর্থাৎ রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে তবেই স্কুল খোলার অনুমতি দেবে সরকার। তবে প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হবে। যাতে রাজ্য সরকার যেদিন অনুমতি দেবেন, সেই দিন থেকেই স্কুলের পঠন পাঠন শুরু করা যেতে পারে।