আফগান হিন্দু ও শিখদের আ’বে’দ’ন আন্তর্জাতিক ম’ঞ্চে, বে’শি দে’রি হওয়ার আগে আমাদের বাঁ’চা’ন

ভারতের ইতিহাসে জাতপাত ধর্ম রাজনীতি নিয়ে বরাবরই অসন্তোষ দানা বেঁধে যায়। এই সমস্ত কিছু নিয়েই আবার কখন দাঙ্গা অরাজকতারও সৃষ্টি হয়। এবারও তার অন্যথা হলো না, আফগানিস্তানে পরিস্থিতি আরো জটিল ও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। সেখানকার সংখ্যালঘু হিন্দু ও শিখরা আর্জি জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক মহলের কাছে, দ্রুত তাদের উদ্ধারের জন্য। ইতিমধ্যে আমেরিকা তাঁর সেনাও প্রত্যাহার করে নিয়েছেন পাকিস্তান থেকে। যার ফলে পরিস্থিতি খুবই অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছে, তালিবানরা দেশের বহু এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করেছে। ফলে বর্তমানে কাবুলের এক গুরু দ্বারে প্রায় দেড়শ জন শিখ ও হিন্দুরা আশ্রয় নিয়েছেন।

ওই গুরুদ্বারে অধ্যক্ষ গুরনাম সিং সংবাদমাধ্যমের কাছে জানিয়েছেন এ কথা। তিনি আরো জানান যে, কতক্ষণ তারা এখানে সুরক্ষিত থাকতে পারবেন সে বিষয়ে বলা খুবই মুশকিল, চারিদিকের পরিস্থিতিতে আতঙ্ক ছড়িয়ে গেছে। ইতিমধ্যেই কাবুলের পাঁচটি গুরুদ্বার এর মধ্যে চারটি বন্ধই হয়ে গেছে। শ্রী গুরু গ্রন্থ সাহিব প্রকাশ গুরুদ্বার করতা পরবনেই করা হচ্ছে। গুরুনাম সিং জানিয়েছেন যেখানে এরইমধ্যে মন্মিত সিং ভুল্লার ফাউন্ডেশন কানাডার সংগঠন ডব্লিউ এস ও কাছে, যাতে তারা অভিযান চালায় এই শিখ ও হিন্দু সংখ্যালঘুদের জন্য।

ডাবলু এস ও আইনজীবী বলপ্রীত সিং বলেন যে, তারা এই আফগানিস্তানের বসবাসকারী আর্থিক দিক থেকে অসহায় সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেবে। তাই তাদের সাথে যোগাযোগও রেখেছেন তারা। তবে গুরদ্বার মন্দিরে হামলার ফলে বহু বাচ্চা ও বয়স্কের মৃত্যু হয়েছে। এই মৃত্যুই যদি অব্যাহত থাকলে, আগামী দিন নিজেদের মুখ দেখানো অযোগ্য হয়ে যাবেন তাঁরা। আমেরিকার এই ন্যাটো সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শেষের পথে, যার ফলে হিংসা-দ্বেষ অরাজকতা বেড়েই চলেছে। আর এহেন অরাজকতা বহু সময়ই দেখা যায় ,যার ফলে সাধারণ মানুষ বলি হয়। বর্ণবৈষম্য ভেদাভেদ ভুলে সমস্ত মানুষেরই যে একটি পরিচয় হওয়া উচিত, যে তারা সবাই মানুষ। এটি সবার মূল পরিচয় হওয়া দরকার, সেটি কেউ বুঝতে চায় না।