পাকিস্তানের সেন্ট্রাল ব্যাংকে গ’চ্ছি’ত টা’কা’র প’রি’মা’ণ ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের মাত্র ৩ শতাংশ

বর্তমান করোনা পরিস্থিতি বিশ্বের প্রায় বেশিরভাগ দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। তবে বাইরের ধার শোধ করতে গিয়ে পাকিস্তানের ভাঁড়ার এখন কার্যত প্রায় শূন্য। দেনা মেটাতে গিয়ে পাকিস্তানের ভাঁড়ারে টান পড়েছে। পাকিস্তানের সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কে গচ্ছিত টাকার পরিমাণ এক সপ্তাহে প্রায় ০.৬১ শতাংশ কমেছে! পাকিস্তানের সংবাদ সংস্থার দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে এই তথ্য ধরা পড়েছে।

ওই রিপোর্টে প্রকাশিত তথ্য অনুসারে চলতি বছরের ৩রা সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের ব্যাঙ্কে গচ্ছিত টাকার পরিমাণ ছিল ২ হাজার ১৪ কোটি ৫৬ লক্ষ ডলার। ১০ সেপ্টেম্বর তা কমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২ কোটি ২০ লক্ষ ডলারে। অর্থাৎ এক ধাক্কায় প্রায় ১২ কোটি ৩০ লক্ষ্য টাকা কমে এসেছে পাকিস্তানের সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক থেকে।

পাকিস্তানের রিজার্ভ ব্যাঙ্কে গচ্ছিত টাকার অংকটা ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কে গচ্ছিত টাকার অঙ্কের তুলনায় মাত্র ৩ শতাংশ। ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কে এই মুহূর্তে ৬৫ হাজার কোটি টাকা গচ্ছিত আছে। পাকিস্তানের ওই সংবাদ সংস্থার তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে ধার মেটাতে গিয়ে এই পাকিস্তানের ভাঁড়ার থেকে এতগুলো টাকা বেড়িয়ে গিয়েছে।

উল্লেখ্য এর আগে গত ২৪ অগস্ট ইন্টারন্যাশনাল মনিটরি ফান্ড (আইএমএফ) পাকিস্তানকে ২৭৫ কোটি ১০ লক্ষ ডলার আর্থিক সাহায্য করেছিল। যার ফলে পাকিস্তানের সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কে গচ্ছিত টাকার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ২ হাজার ১৫ কোটি ডলার। তবে এই ধারের টাকা পাকিস্তানকে ফের ধার করে মেটাতে হয়েছিল। যার ফলে তাদের সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কের টাকা কমে এসেছে।