সঙ্গমে অনীহা ষষ্ঠ স্ত্রীর, সাত নম্বর কনের খোঁজ করছেন বছর ৬৫-র বৃদ্ধ

এটি বিয়ে টিকিয়ে রাখার জন্য যেকোনো স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মানুষের চাহিদার পাশাপাশি যৌনচাহিদার সমানভাবে প্রয়োজন রয়েছে।শুধুমাত্র যৌন চাহিদা মেটানোর জন্য গুজরাটের বাসিন্দারা ৬৩ বছরের এক বৃদ্ধ আবারো একবার বিয়ে করতে চলেছেন। শুধু বয়স শুনলে অবাক হলে চলবে না, অবাক হবার মত আরেকটি বিষয রয়েছে। এইদি এটি তার দ্বিতীয় বিয়ে নয়, একেবারে সপ্তম বিয়ে।

আইয়ুব দেগিয়া নামে ওই বৃদ্ধ সুরাটের একটি গ্রামে থাকেন। তিনি পেশায় কৃষক। গতবছর ষষ্ঠ বিয়ে করেন সেপ্টেম্বর মাসেই।নিজের থেকে প্রায় ২১ বছরের ছোট একটি মেয়েকে বিয়ে করেছিলেন তিনি।তবে সেপ্টেম্বর মাসে বিয়ে করলেও ডিসেম্বর মাসেই তারা আলাদা হয়ে যান।

বিবাহ বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে তিনি বলেন যে, তার স্ত্রী তার সঙ্গে যৌন সঙ্গমে রাজি হচ্ছেন না। তাই কোনভাবেই একসাথে থাকা সম্ভব নয়। এটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন যে, ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগসহ আমার অনেক রকম সমস্যা আছে। আমার স্ত্রী আমার সঙ্গে যৌনসঙ্গম করলে তার ইনফেকশন হয়ে যাবে, এই অজুহাত দিয়ে আমার সঙ্গে যৌনসঙ্গম করতে চাইত না। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমার স্ত্রীকে ছেড়ে দেবো।

প্রথম স্ত্রী এখনো জীবিত এবং ওই গ্রামে থাকেন। তার পাঁচটি সন্তানও রয়েছে। এরপরেও এতবার বিয়ে করেছেন বৃদ্ধ। তাদের প্রত্যেকের বয়স ২০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। কিন্তু বারবার বিয়ে করলেও প্রথম স্ত্রীর কাছে কিন্তু ফিরে যাননি এই বৃদ্ধ। উল্টা অল্প বয়সী মেয়েদের বিয়ে করেছেন তিনি।

এদিকে, স্বামীর কুকীর্তির কথা জানতেন না তার ষষ্ঠ স্ত্রী। কোন কিছু না জেনেই তিনি বিয়ে করে নিয়েছেন। সব কথা জানার পর পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন বৃদ্ধের ষষ্ঠতম স্ত্রী। এই প্রসঙ্গে মহিলা উকিল জানিয়েছিলেন যে, আমার মক্কেল বিধবা। বিধবা হবার সুযোগ নেন এই বৃদ্ধ। মহিলার খেয়াল রাখা থেকে শুরু করে সাহায্য করা, সবকিছু প্রতিশ্রুতি দিয়ে মহিলাকে বিয়ে করেন তিনি। বিয়ে করার কিছু দিনের মধ্যেই তার আসল চেহারা বেরিয়ে আসে। এমনকি নিজের স্ত্রীকে বোনের বাড়িতে রেখে আসেন। তারপরেই আস্তে আস্তে স্বামীর আসল চেহারা জানতে পারেন আমার মক্কেল। সব কথা জানার পর পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।