মেয়াদ শেষ, হবে না পুরভোট, ফিরহাদের কাঁধেই তুলে দেওয়া হলো কলকাতা, পাল্টা চ্যালেঞ্জ বিজেপির

কলকাতা পুরসভার বোর্ডের মেয়াদ শেষ। যদিও পুরভোটের কথা ছিল, কিন্তু আপাতত লকডাউনের জন্য তা শিকেয় উঠেছে। তবে বোর্ডের মেয়াদ যেহেতু শেষ হওয়ার আগে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে রাজ্য সরকার এবার পুরসভায় বসাল প্রশাসক। যদিও বিরোধিদের দাবি এই ভাবে প্রশাসক বসানো নিয়ম বিরোধি। কিন্তু ৭ মে পুরসভা বোর্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই অর্ডিন্যান্স জারি করে রাজ্য সরকার ববির হাতেই দায়িত্ব দিলেন যা নিয়ে বিরোধিদের মধ্য ব্যাপক চাপানতোর সৃষ্টি হয়েছে।ভোটের আগেই করোনার প্রভাবে স্তব্ধ সবকিছুই, তবে থমকে থাকবে না কাজকর্ম। প্রশাসনিক কাজ বন্ধ থাকবে না।

তাই তো বিকল্প পথে হাঁটল রাজ্য সরকার। তাই নবান্নের তরফে হাওড়া, পানিহাটি বা দার্জিলিং-সহ বিভিন্ন পুরসভার মতো কলকাতা পুরসভাতেও আপাতত প্রশাসক বসিয়ে দিল রাজ্য সরকার।রাজ্যের তরফে ববি হাকিমকেই বোর্ড অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর এর চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। সোই বোর্ডে থাকছেন এতদিনের মেয়র পারিষদরাও। জানা গিয়েছে ৮ মে অর্থাৎ শুক্রবার থেকেই এই নতুন বোর্ড কার্যভার গ্রহণ করবে বলে জানানো হয়েছে।

কলকাতা পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে যেহেতু পুরসভা নিযোজিত করা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে পারে তাই বোর্ডের সিদ্ধান্তের জন্য তা করা যেতেই পারে। পাশাপাশি, অর্ডিন্যান্স জারি করানো বিষেয় বলতে গিয়ে আইনজ্ঞদের একাংশ বলছেন, অর্ডিন্যান্স জারি করে প্রশাসক বসানো উচিত ছিল। তাই ছ মাস নির্বাচন আটকে রাখার প্রযোজন পড়বে না। বিধানসভায়. অর্ডিন্যান্স পাশ করিয়ে তবেই আইনে পরিনত করা যায়।

কিন্তু রাজ্য সরকার সেই পথে না প্রশাসনিক নির্দেশনামার ভিত্তিতে কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক বসিয়েছে সরকার। তবে রাজ্যপালের সঙ্গে যে সংঘাত রাজ্যের তৈরি হয়েছে তাতে ওই অর্ডিন্যান্সে রাজ্যপাল সই করতেন কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় ছিল বিভিন্ন শিবিরে। সেই কারণেই অর্ডিন্যান্সের পথে না হেঁটে নির্দেশনামা জারি করেছে সরকার।

সব খবর সরাসরি পড়তে আমাদের WhatsApp  Telegram  Facebook Group যুক্ত হতে ক্লিক করুন