বাংলায় বিজেপির হা’রে’র কা’র’ণ খুঁ’জে পেলো “টিম শাহ”, উঠে এলো চ’ম’কে দেওয়ার মতো ত’থ্য

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর বঙ্গ বিজেপি শিবিরের পরাজয় কার্যত গেরুয়া শিবিরের অভ্যন্তরে ব্যাপক শোরগোল ফেলে দিয়েছে। একুশের ওই নির্বাচনে বাংলায় জয়লাভ করতে জোর প্রচার চালিয়েছিল বঙ্গ বিজেপি শিবির। কেন্দ্র থেকে বিজেপির শীর্ষ কর্তারা বারংবার এসেছেন পশ্চিমবাংলায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জোরদার প্রচারের পরও ভোটবাক্সে তেমন সাড়া পায়নি বিজেপি।

কেন এই পরাজয়? গেরুয়া শিবিরে আপাতত সেই সমীক্ষা চলছে। ১২৮ পাতার ওই সমীক্ষার রিপোর্টে বিজেপির পরাজয়ের কারণ হিসেবে বহু তথ্য উঠে এসেছে। গেরুয়া শিবিরের একাংশের দাবি একুশের নির্বাচনের আগে রাজ্যজুড়ে যে দলবদলের মরসুম শুরু হয়েছিল, তা কার্যত বাংলার মানুষ ভালোভাবে নেননি। দলবদলকারী নেতা-নেত্রীদের ভাবমূর্তি সাধারণ মানুষের কাছে ভালো ছিল না। এই কারণটিকে বিজেপির পরাজয়ের অন্যতম বড় কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে।

এছাড়াও বিজেপির শীর্ষকর্তাদের মুখে “জয় শ্রীরাম” স্লোগানকেও কার্যত বিজেপির পরাজয়ের অন্যতম কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে। এতে সংখ্যালঘুদের মনে বিজেপি বিরোধী মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে। বিজেপি কর্তাদের অনুমান, বাংলায় ভগবান শ্রী রামের পূজার প্রচলন তেমনভাবে নেই। তাই এই ধর্মীয় স্লোগান মানুষের মনে বিজেপির ভাবমূর্তিকে আরো খর্ব করেছে।

এছাড়াও বঙ্গ বিজেপি শিবিরের নেতাকর্মীদের অতিরিক্ত দম্ভ, তাদের বিলাসবহুল জীবন, ক্ষমতায় আসার আগেই ক্ষমতার দম্ভ, হুংকার ইত্যাদিকে মানুষ ভালোভাবে নেননি বলেই ওই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। নির্বাচনী তহবিল সঠিক ব্যবহার করার ক্ষেত্রেও বহু গলদ ধরা পড়েছে। ভিন রাজ্য থেকে অবাঙালি রাজনৈতিক নেতাদের ভোটের প্রচারে নামানোও রাজ্যবাসীর মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে বলেও “টিম অমিত শাহ” এর রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।