চীনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ, তিব্বতিদের গোপন সেনাকে স্বীকৃতি দিলো ভারতীয় সেনাবাহিনী

গত বছরের জুন মাস লাদাখ সীমান্তে ভারত চীনের সাথে যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়েছিল সেখানে এসএসএফ অর্থাৎ স্পেশাল ফ্রন্টিয়ার ফোর্স দারুন ভাবে সাহায্য করেছিল। এটি আসলে তিব্বতীদের একটি গোপন ইউনিট যারা ভারতে বসবাসরত। এই সাহসিকতাকে ভারত সরকারের তরফ থেকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। অপারেশন স্নো লেপার্ড, এই অপারেশনের সাথে যুক্ত ছিলেন মেনশন ইন দেসপ্যাচস বিভাগের অধীনে টেজারিং নরবুক। ১৯৬২ সালের পর থেকেই, তিব্বতীরা ভারতে বসবাস করতে থাকে, আক্তার পরেই তারা একটি গোপন দল গঠন করে যা স্পেশাল ফ্রন্টিয়ার ফোর্স নামে পরিচিত। এই দলে ৫৪ জনের সাথে রয়েছে তার নাম। মনে রাখতে হবে এই এসএসএফ দলটি কিন্তু ১৯৭১ সালের যুদ্ধ থেকে শুরু করে ১৯৯৯ সালের কারগিল যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল।

ভারতীয় সেনাদের সাথে পাতাক সীমান্তে চীনের যে সংঘাত হয় সেখানে দারুণভাবে অংশগ্রহণ করে এসেছে এস এস এফ। এদিকে সুবেদার নিয়মা তেনজিন যিনি ২০২০ সালের ২০ আগষ্ট প্যাংগং এলাকায় একটি মাইন বিস্ফোরণে শহীদ হন, আর লেহতে অবস্থানরত ভারতীয় সেনারা তার শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন। এই সম্মান দান তাদের কাছে খুবই গর্বের, এদিকে চুসুলেও একজন এস এস এফ জওয়ান মোতায়েন ছিল, যেখানে তিনি মাইন বিস্ফোরণে আহত হয়েছিল, কিন্তু পরবর্তীতে তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন। এর আগে স্পেশাল ফ্রন্টিয়ার ফোর্স সম্পর্কে অনেকেই অবগত ছিল না।

কিন্তু লাদাখ সীমান্তের ঘটনার পরেই কিছুটা হলেও প্রকাশ পেয়েছে। লাদাখ সীমান্তে তাদের অবদান সম্পর্কে ও তাদের বীরত্ব পুরস্কার হিসেবে সম্মান দেয়া হয়েছে তাদের। ১৫ টি সোনা পদক পাঁচটি বীর চক্র ও একটি মহাবীর চক্র প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন ঘোষণা করা হয়েছে। লাদাখে ৭৫০০ জন তিব্বতিদের মধ্যে ১৫০০ জন এই স্পেশাল ফ্রন্টিয়ার ফোর্স অংশগ্রহণ করেছে, এমনকি অনেকেই আরো আগের থেকে কাজ করে এসেছে। আর সেই কারণেই তাদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।