ক’রো’নার মধ্যেই সোয়াইন ফ্লুর হানা, মানুষের শরীরে বিরল ভাইরাল ট্রেন মেলায় আতঙ্ক

করোনার প্রকোপে ধুঁকছে আমেরিকা। পৃথিবীর সবথেকে শক্তিশালী দেশটি আজ ছোট্ট একটি ভাইরাসের সামনে রীতিমতো নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে। বিশ্বের সবথেকে বেশি আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে প্রথম স্থান দীর্ঘ বেশ কয়েক মাস ধরেই প্রথম স্থানে রয়েছে আমেরিকা। করোনার সঙ্গে সংঘর্ষ চলাকালীনই অপর এক বিরল প্রকৃতির সোয়ান ফ্লু ভাইরাসের আক্রমণের শিকার হচ্ছেন মার্কিনিরা।

সূত্রের খবর, কানাডার আলবার্টা প্রদেশের বাসিন্দাদের শরীরে এই বিরল প্রকৃতির সোয়াইন ফ্লু এইচ-ওয়ান এন-ওয়ান ভাইরাসের স্ট্রেন পাওয়া গেছে। তবে কানাডার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দাবি, এলাকার বাসিন্দারা বিরল প্রকৃতির ভাইরাসের দ্বারা আক্রান্ত হলেও, এখনই ভয়ের কোনো কারণ নেই। আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে আসা অন্যান্যদের শরীরে ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে কিনা, তার উপর নজর রাখছে স্বাস্থ্য দপ্তর।

উল্লেখ্য, করোনা এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের সংক্রমনের উপসর্গ অনেকটা একইরকম। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, করোনা মহামারীর পরিস্থিতিতে যদি ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের প্রকোপ শুরু হয়ে যায় তাহলে উভয় ভাইরাসের প্রকোপে “টুইনডেমিক” পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষত উভয় ভাইরাসের সংক্রমণের উপসর্গ যেখানে একই, সেখানে বিপদ আরও বাড়তে পারে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা সত্যি প্রমাণিত করে আমেরিকা এবং ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশে ইতিমধ্যেই ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের প্রকোপ পড়তে শুরু করে দিয়েছে। সম্প্রতি, কানাডাতেও সোয়াইন ফ্লু ভাইরাসের প্রভাব পড়লো। ইনফ্লুয়েঞ্জার মতোই উপসর্গ দেখা দিয়েছে সংক্রমিত ব্যক্তির শরীরে। তবে ভাইরাসের জিনোম পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, এই সোয়ান ফ্লু ভাইরাসের স্ট্রেন ইতিপূর্বে আর কখনো মেলেনি। বর্তমানে আক্রান্ত ব্যক্তির লালা রস থেকে এই ভাইরাসের নমুনা নিয়ে গবেষণা চালানো হচ্ছে।