১৪ জুনই আরও একবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন সুশান্ত! ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর ক্রমশ ঘোরালো হচ্ছে বিষয়। প্রাথমিক তদন্ত থেকে অনুমান করা গিয়েছিল যে তিনি আত্মহত্যা করেছিলেন। কিন্তু যত সময় অতিক্রম হচ্ছে, তত স্পষ্ট হচ্ছে যে তিনি কোনোভাবেই আত্মহত্যা করতে পারেন না।তার মৃতদেহের সঙ্গে কোনোভাবেই গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করা মৃতদেহের মিল পাওয়া যায়নি। কোনোভাবেই এটা প্রমাণিত নয় যে তিনি তার মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। তার ফ্ল্যাটে সিসিটিভি ক্যামেরা ঘন্টা তিনেক আগে থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

এমনকি তার ঘরের দরজা ভেতর থেকে চাবি দিয়ে লক করা ছিল। তার বাড়ির ডুপ্লিকেট চাবি ও মিসিং। সুশান্ত এর মৃত্যুর তদন্ত করতে নেমে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তার পরিচারক পরিচারিকাদের। তারাও নাকি কোনো বাইরের লোককে ভিতরে আসতে দেখেননি। সবথেকে আশ্চর্য এর বিষয়টি হলো যে, তার প্রিয় পোষ্য যে তার সঙ্গে সব সময় থাকতে সে তখন সেই ঘরেই ছিল না।সারা দেশ সোচ্চার হয়েছিল, প্রয়াত অভিনেতা তদন্তের ভার যেন দেওয়া হয় সিবিআইকে।এমনই তদন্ত করতে গিয়ে আবারও একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এলো পুলিশের কাছে। সুশান্তর ঘর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বাথরবের একটি ছেঁড়া বেল্ট। এই বেল্ট দিয়েই নাকি গলায় ফাঁস লাগিয়ে ছিলেন সুশান্ত।

কিন্তু কিছুদিন আগে জানা গিয়েছিল যে ঘরের পর্দা দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ছিলে সুশান্ত। কিন্তু সঠিক ঘটনা যে কি তা এখনও প্রকাশে আসেনি। আমরা অনুমান করা হচ্ছে যে মৃত্যুর আগেও দু’বার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন সুশান্ত, শেষে তিনি কাপড় নিয়ে ঝুলে পড়েন ফ্যানে।পুলিশের অনুমান মেনে নিতে নারাজ সম্পূর্ণ ভারতবাসী। সুশান্ত-এর ঘরের আলমারি খোলা অবস্থায় এবং কিছুটা এলোমেলো অবস্থায় থাকাটা মনে সন্দেহ আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী,সুশান্ত নিজের কুর্তা দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানোর আগে প্রথমে বাথরুমের দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু তাতে ব্যর্থ হওয়ায় তিনি তারপর তার কুর্তা দিয়ে গলায় পেচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। সম্পূর্ণ বিষয়টিতে গভীর থেকে গভীরতর চক্রান্তের সন্দেহ করছেন প্রত্যেকে। সুশান্ত জামাইবাবু এই তদন্ত শেষ পর্যন্ত করবেন বলে কথা দিয়েছেন। সুশান্তর ভক্ত মহলের একটাই প্রার্থনা যে যাতে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দোষীদের সামনে এনে তাদের যথাযথ উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হয়।