‘এমন শাস্তি দেওয়া হবে, উদাহরন হয়ে থাকবে’, হাথরাস গণধ’র্ষণ কাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন যোগী

উত্তরপ্রদেশের হাথরাস গণধর্ষণ কাণ্ড নিয়ে রীতিমতো উত্তাল দেশ। বিশেষ করে হাথরাস, বলরামপুর, বুলন্দ শহরের মতো যোগী রাজ্যের একের পর এক জায়গা থেকে গণধর্ষণের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই যোগী আদিত্যনাথের প্রশাসনের বিরুদ্ধে রীতিমতো সওয়াল করতে শুরু করেছেন বিরোধীরা। বিতর্কের জেরে এবার ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামলেন খোদ যোগী আদিত্যনাথ। এই প্রথম এমন বর্বরোচিত ঘটনার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রীর বয়ান অনুসারে, যারা উত্তরপ্রদেশের মা-বোনেদের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে কড়া শাস্তির ব্যবস্থা করবে প্রশাসন। উত্তর প্রদেশের সরকার দোষীদের এমন শাস্তির ব্যবস্থা করবে, যে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অপরাধীদের কাছে তা নিদর্শন হয়ে থাকবে। প্রবল বিতর্কের সম্মুখীন হয়ে অবশেষে রাজ্যবাসীকে আশ্বাস প্রদান করে তিনি বলেছেন, উত্তর প্রদেশের সরকার এ রাজ্যের মা, বোনদের সুরক্ষা, নিরাপত্তা, উন্নয়নের স্বার্থে সর্বদাই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

উল্লেখ্য, হাথরাস কাণ্ডের পর উত্তরপ্রদেশের মহিলা নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে রীতিমতো উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশবাসী। বিশেষ করে বিরোধীরা প্রতিনিয়ত মহিলাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধ রুখতে যোগী সরকারের ব্যর্থতার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। দেশ জুড়ে প্রবল বিতর্কের মুখে পড়ে ঘটনার প্রায় দুই সপ্তাহ পরে মুখ খুললেন যোগী। অবশ্য তাতেও বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না তার। হাথরাস কান্ডের পরেও উত্তরপ্রদেশের আরো চারটি জায়গা থেকে মহিলাদের উপর হওয়া বর্বরোচিত ঘটনার অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে।

উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে রীতিমতো সওয়াল করতে শুরু করেছেন দেশবাসী। দেশজুড়ে যোগী প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চলছে। উল্লেখ্য, নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করার জন্য হাথরাস গ্রামে প্রবেশ করার চেষ্টা করেন কংগ্রেস এবং তৃণমূল দলের নেতাকর্মীরা। তবে গ্রামের সীমানা সিল করে দিয়ে, করোনার দোহাই দিয়ে হাথরাসকে কনটেইনমেন্ট জোন বলে ঘোষণা করে এবং ওই এলাকায় রীতিমতো ১৪৪ ধারা জারি করে বিরোধীদের আটকালেন যোগী সরকার। অপরাধ দমনে যোগী সরকারের ভূমিকা নিয়ে স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে।