প্যান্ডেলে একসঙ্গে সাতজনের বেশি না, দুর্গাপুজো নিয়ে গাইডলাইন প্রকাশ করল রাজ্য

সামনেই আসতে চলেছে বাঙালির সবথেকে বড় উৎসব দুর্গাপূজা। করোনার কারণে অন্যান্য বারের তুলনায় এবারের পূজা প্রস্তুতিতে তেমন উৎসাহ নেই বাঙালির। তবে দুর্গাপূজা যে শুধু বাংলার মধ্যে সীমাবদ্ধ, এমনটা নয়। বাংলার সীমানা পেরিয়ে ভিন রাজ্যে, এমনকি বিদেশেও পালিত হয় দুর্গোৎসব। অন্যান্যবার, পুজো উপলক্ষে ঠিক ৬ মাস আগে থেকেই তোড়জোড় শুরু হয়ে যায় সমাজের প্রতিটি স্তরে। কিন্তু এবারের চিত্রটা সম্পূর্ণ অন্যরকম।

করোনা মহামারীর মধ্যেই এবার পালিত হবে দুর্গোৎসব। তাই, সংক্রমণ এড়াতে নানা বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে পুজো কমিটি এবং দর্শনার্থীদের। সম্প্রতি, উড়িষ্যা সরকার দুর্গাপূজা উৎসব পালনের সময় সংক্রমণ এড়াতে একাধিক বিধি নিষেধ উল্লেখ করে একটি নির্দেশিকা জারি করেছে। এই নির্দেশিকা অনুসারে, পুজো প্যান্ডেলে একসাথে সাত জনের বেশি দর্শনার্থী ঢুকতে পারবেন না।

পাশাপাশি, ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে প্রত্যেক দর্শনার্থীর মুখে মাস্ক থাকা আবশ্যিক। সঙ্গে সবসময় স্যানিটাইজার রাখতে হবে, প্রয়োজন মত তা ব্যবহারও করতে হবে। পুজো মণ্ডপে একে অপরের সাথে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে, মন্ডপে একেবারেই ভিড় করা যাবে না। প্রতিমা গঠনের ক্ষেত্রেও রয়েছে বিধি নিষেধ। কোনো প্রতিমার উচ্চতা ৪ ফিটের বেশি হওয়া যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে উড়িষ্যা সরকার।

পুজোর বন্দোবস্ত করার আগে জেলাশাসকের কাছ থেকে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি জেলাশাসককেও পুজোর আয়োজন খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পূজা উপলক্ষে অন্যান্যবারের মতো কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বা জলসার আয়োজনও করা যাবে না। এমনকি দশমীর দিনে প্রতিমা ভাসানের সময়েও জাঁকজমক করা যাবে না, মাইক অথবা ডিজে বাজানো যাবে না। পূজোর শুরু থেকে আরম্ভ করে প্রতিমা বিসর্জন অব্দি নিতান্ত সাধারণ ভাবেই উৎসব পালন করতে হবে বলে জানিয়েছে উড়িষ্যা সরকার।