নুসরতের সা’থে একই ফ্রে’মে শ্রাবন্তী-তনুশ্রী, ত’বে কি বিজেপি ছা’ড়’ছে’ন দুই তা’র’কা?

নুসরাত বিতর্কে রাজনীতির পারদ লাগলো। আজ সকালে নুসরাত প্রথম বেবি বাম্প নিয়ে নেট জনতার সামনে এসেছেন। নুসরাতের সঙ্গে সেই ছবিতে উপস্থিত ছিলেন তার দুই বান্ধবী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় এবং তনুশ্রী চক্রবর্তী। প্রসঙ্গত শ্রাবন্তী এবং তনুশ্রী উভয়ই বিজেপি শিবিরের নবাগতা সদস্য। অপরপক্ষে নুসরাত তৃণমূল সাংসদ। অতএব তাদের এই পারস্পরিক মেলামেশা রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বহু প্রশ্ন তুলছে।

একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির হয়ে লড়াইয়ে সামিল হয়েছিলেন তনুশ্রী এবং শ্রাবন্তী। পরে অবশ্য তৃণমূল প্রার্থীদের কাছে হেরেছেন তারা। বর্তমানে বিজেপির তরফের একাধিক প্রার্থীর মতো শ্রাবন্তী এবং তনুশ্রীও পরাজিত প্রার্থীর তালিকায় পড়েছেন। এরই মধ্যে আবার নুসরাত প্রসঙ্গে যখন রাজনৈতিক শিবিরের বিজেপি নেতা কর্মীরা একের পর এক বিষোদগার করে চলেছেন, তখন বিজেপির তরফের এই দুই সদস্যার সঙ্গে নুসরাতের যোগাযোগ ভালো চোখে দেখছে না বিজেপির অন্দরমহল।

প্রশ্ন উঠছে, বিজেপি শিবিরের বর্তমান ট্রেন্ড অনুযায়ী শ্রাবন্তী এবং তনুশ্রীও কি তাহলে দলত্যাগের পরিকল্পনা করছেন? সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপি কর্মী সমর্থকদের কটাক্ষের শিকার হতে হচ্ছে তাদেরও। সম্প্রতি জনৈক নেটিজেন সোশ্যাল মিডিয়ায় নুসরাতের সঙ্গে শ্রাবন্তী এবং তনুশ্রীর ওই ছবিটি আরেকবার পোস্ট করে লিখেছেন, “তৃণমূলের গর্ভবতী সাংসদকে উৎসাহ দিতে গিয়েছে বিজেপি প্রার্থী শ্রাবন্তী এবং নুসরাত!”

ওই পোস্টে তিনি উল্লেখ করেছেন, “এগুলোকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বিদায় করা উচিত”! এই পোস্টে তিনি আবার বিজেপি শিবিরের তাবড় তাবড় নেতাদের ট্যাগ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অমিত মালব্যের পাশাপাশি তথাগত রায়কেও ট্যাগ করেছেন তিনি! তথাগত রায় আবার এই পোস্টটি রি-ট্যুইট করেছে। প্রসঙ্গত, নির্বাচনের আগে মদন মিত্রের সঙ্গে শ্রাবন্তী, পায়েল এবং তনুশ্রীকে সেলফি তুলতে দেখা গিয়েছিল তখনও তাদের “নগরের নটি” বলে উল্লেখ করেছিলেন তথাগত রায়!