কিছুটা হলেও স্বস্তি, অন্তর্দেশীয় বিমান পরিষেবা শুরু হবে খুব শীঘ্রই, ঘোষণা কেন্দ্রের

বিশ্ব মহামারী করোনাভাইরাস এর কোন প্রতিষেধক টিকা আবিস্কার না হওয়ায় লকডাউন করে একে দমনের চেষ্টা চালানো হচ্ছে । এই লকডাউনের জন্য বন্ধ অফিস -কাছারি, দোকানপাট, যানবাহন সমস্ত কিছুই । ইতিমধ্যেই ভারতের তৃতীয় দফার লকডাউন চালু হয়েছে ৪ঠা মে থেকে মেয়াদ ঘোষণা হয়েছে ১৭ ই মে পর্যন্ত। তৃতীয় দফার লকডাউনে অনেক কিছু বিষয়েই শিথিলতা মিলেছে। এবার শিথিলতা মিলতে চলেছে বিমান পরিসেবাতেও।

কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী জানিয়েছেন ভারতের মধ্যেই এবার বিমান পরিসেবার শিথিলতা মিলবে।সব ঠিক থাকলে ১৫ মে’র আগেই চালু হতে পারে পরিষেবা।তবে সরকারিভাবে কোনও দিনক্ষণ তিনি ঘোষণা করেননি।অন্তর্দেশীয় বিমান পরিষেবা চালু করার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক। শীঘ্রই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে চালু করা হবে বিমান পরিষেবা।

বিমান চালুর ক্ষেত্রে নতুন কিছু নিয়ম যুক্ত হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন পরিবহন মন্ত্রী। এই প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, “আমরা দ্রুত অন্তর্দেশীয় বিমান পরিষেবা চালু করার পরিকল্পনা করছি। কিন্তু কোনও নির্দিষ্ট দিন ঠিক হয়নি। কারণ অন্তর্দেশীয় বিমান পরিষেবার জন্য রাজ্যগুলির সহযোগিতা প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে সমস্ত পরিকাঠামো সঠিক থাকা দরকার। কারণ, অন্তর্দেশীয় পরিষেবা চালু হয়ে গেলে তাকে ‘উদ্ধার অভিযান’ বলা যাবে না, তা বাণিজ্যিক পরিষেবা হিসেবেই চালু হবে এবং সকলেই যাত্রা করতে পারবেন।”

গত ২৪ মার্চ থেকে লকডাউন শুরু হওয়ায় অন্যান্য পরিষেবার সাথে বন্ধ রয়েছে বিমান পরিষেবাও। শুধুমাত্র ‘মিশন উড়ান’-এর জন‌্য দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভারতীয় বায়ুসেনার সহযোগিতায় জরুরি পণ‌্য পরিবহণের কাজ চলছে। এর সঙ্গে ‘বন্দে ভারত মিশন’ চালু করে বিদেশে আটকে পড়া ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনার কাজও শুরু করা হয়েছে। শনিবার ত্রিচি বিমানবন্দর থেকে প্রথম বিমান রওনা দিয়েছে মালেশিয়ায় আটকে থাকা ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনার জন্য। আরও বেশ কয়েকটি বিমান দ্রুত যাত্রা করবে। কিন্তু বন্ধ রয়ছে অন্তর্দেশীয় বিমান পরিষেবা। তবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেই শুরু হয়ে যাবে পরিষেবা এবং তার জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে মন্ত্রক।