খোঁজ পাওয়া গেলো অন্য কিছুর, নতুন সমতলের সন্ধান মিললো সৌরজগতে, আরো ঘনীভূত রহস্য

আমাদের এই সৌরজগৎ নানা নানা রহস্যের ভাণ্ডার। এর মধ্যে বহু অজানা তথ্য লুকানো রয়েছে।নাসার বিজ্ঞানীরা একে একে তার কিছু উদ্ধার করার চেষ্টা করছেন, তবে এখনো আমাদের কাছে অনেক কিছুই আছে অধরা। এইরকম সৌরজগতের মধ্যে খোঁজ পাওয়া গেল এক সমতলের। ধূমকেতুর কক্ষপথ নিয়ে একটি গবেষণা চলাকালীন এই আবিষ্কার করতে পেরেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। ধূমকেতুর দল কিন্তু সৌরজগতের সূর্য থেকে অনেকটা বেশি দূরে রয়েছে। সূর্য থেকে চাঁদের দূরত্ব যে শীর্ষবিন্দু, বিজ্ঞানের পরিভাষায় তাকে বলা হয় অ্যাফেলিয়া।

পৃথিবীর সহ অন্যান্য গ্রহ যে সমতালে রয়েছে তাকে বলা হয় একলিপটিক। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা অনুমান করছেন যে, ধূমকেতুর থাকে অন্য একটি সমতলে, যাকে বলা হয় এম্পটি একলিপটিক। এই আবিষ্কার যদি সত্যি প্রমাণিত হয় তাহলে জানা যাবে যে সৌরজগৎ কিভাবে সৃষ্টি হয় ধুমকেতু।সাধারণত এই সৌরজগতের সমস্ত গ্রহ মোটামুটি একই সমতলে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে থাকে। এই সমতল অংশটিকে বলা হয় একলিপটিক পথ।

পূর্বের গবেষণা অনুযায়ী এতদিন মনে করা হতো যে, ধুমকেতু একলিপটিক সমতলের জন্ম নেয়, তারপর ধীরে ধীরে নিজের কক্ষপথে চলে যায় তারা। দৈত্যাকার নক্ষত্রদের মাধ্যাকর্ষণ এর ফলে ধূমকেতুর কক্ষপথ অসংখ্যবার বদলাতে পারে।বারবার ধূমকেতুর কক্ষপথ বদল করার ঘটনার কারণ হলো সূর্য ছাড়া অন্য কোন শক্তি এই ধুমকেতু চলন কে প্রভাবিত করে থাকে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ফিস অর্গ নামে একজন বিজ্ঞান বিষয়ক ওয়েবসাইট এ বলেছিলেন, এছাড়া তাদের সমস্ত সৌরজগতের একে অন্যের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে। আবার সাম্প্রতিক গবেষণা অনুযায়ী ছায়াপথে দুটি সমতল রয়েছে।তার মধ্যে মাত্র একটি সমাধানের কথা মানুষ এতদিন জানত।

জাপানের অকুপেশনাল এন্ড এনভায়রনমেন্টাল বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপিকা বহুদিনের গবেষণার পর প্রথম অনুমান করেছিলেন যে, আকাশগঙ্গা ছায়াপথের রয়েছে আরও একটি ছায়াপথ। এই একলিপটিক সমতল টি ৬০ ডিগ্রি কোণে অবস্থান করে থাকে। সদ্য আবিষ্কৃত হওয়া অন্য একটি সমতল থাকে একইভাবে। তবে এর অভিমুখ থাকে একেবারেই বিপরীত দিকে। একসময় এটি একেবারেই ফাঁকা ছিল তাই এটিকে বলা হয় এমটি। পরে ধীরে ধীরে ধুমকেতু ছড়িয়ে-ছিটিয়ে এই সমতলের চলে আসে। হিকুজি জানিয়েছেন যে,এই ছায়াপথের গ্রহ-নক্ষত্র, উপগ্রহ,নীহারিকা,ধুমকেতু, গ্রহাণুপুঞ্জ কোন সমতলে রয়েছে তা জানার জন্য এখনও দীর্ঘ গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষত ধূমকেতুরা কোন সমতল দাঁড়িয়ে রয়েছে সেটি নিয়েই আগামী দিনে কাজ করবে হিকুচি।