স্যার আমার বউ লাগবেই, থানায় এসে করুন আর্তি ব্যক্তির, এরপর পুলিশ যা করলো !

এখনকার সমাজে কিন্তু মা গেলে মা ঠিক চলে আসে, কিন্তু একবার যদি বউ চলে যায়, তাকে নিয়ে আসা ভীষণ মুশকিল। তাই পুলিশের কাছে একজন ব্যক্তি কাঁদো কাঁদো গলায় বললেন, স্যার আমার বউ চাই। স্বাভাবিকভাবেই এই রকম একটি আবেদনে রীতীমতো হকচকিয়ে গেছেন পুলিশের।অভিযোগকারীর কাছ থেকে সমস্ত গল্প শোনার পর পায়খানা করার জন্যই দুদিন লেগে গেল পুলিশ কর্মকর্তাদের। কিন্তু তারপরেও সমাধান করতে পারলেন না তারা। কিন্তু আসল ঘটনাটা ঠিক কি? আসলে পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতার এর গ্রামের বাসিন্দা উৎপল মেটে বুধবার বউ ফেরত নিবার আবেদন জানিয়ে ভাতার থানার দ্বারস্থ হয়েছিলেন।প্রথমে একটু অবাক হয়ে গেলেও ওদের কথায় বৃহস্পতিবার তার স্ত্রীকে থানায় ডেকে পাঠানো হয়। তার পর জানা গেল আসল কান্ড।

ইদানিং স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সেরকম বনিবনা হচ্ছিল না। থানায় এসে উৎপল বাবু স্ত্রী সোনালী দেবী স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, তিনি কিছুতেই তার স্বামীর বাড়িতে ফিরে যেতে চান না। তার কথা শুনে রীতিমতো কান্নায় ভেঙে পড়েন তার স্বামী।কিন্তু তাতে বিন্দুমাত্র ভ্রুক্ষেপ নেই সোনালী দেবী র। তিনি জানিয়ে দেন যে,”আমি অন্য একজনকে ভালোবাসি। আপাতত আমি আমার প্রেমিকের বাড়িতে যেতে চাই। আমি আমার স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে পুনরায় বিয়ে করতে চাই। আমাকে খুব মারধর করে আমার স্বামী”।

কথায় কথায় জানা গেল যে, এই দম্পতির ১৫বছর বয়সী একজন কন্যা এবং ১১ বছর বয়সী একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। তাদেরকে নিয়েই তিনি প্রেমিকের বাড়ি চলে যেতে চান বলে জানিয়ে দেন। প্রেমিকের নাম ঠিকানা সবই তিনি পুলিশের কাছে দিয়েছেন। স্ত্রীর কাছ থেকে এরকম একটি কথা শুনে রীতিমত অবাক হয়ে যান উৎপল বাবু। তিনি জানান যে, শ্রীজাকে প্রেমিক বলে পরিচয় দিচ্ছে সেই ব্যক্তি উৎপল বাবুর ঘনিষ্ঠ বন্ধু। বন্ধু তার এত বড় সর্বনাশ করে দেবে তিনি কখনোই ভেবে উঠতে পারেননি। সব মিলিয়ে বউ ফেরত পাবার জন্য পুলিশের দ্বারস্থ হলেও খালি হাতে ফিরতে হল উৎপল বাবু কে।
প্রথমে মীমাংসা করার জন্য অনেক চেষ্টা করলেও পরবর্তী কালীন উৎপল বাবু সিরিয়াল কথা শুনে রীতিমত অবাক হয়ে যান পুলিশ কর্তারা ও।