ভেসে বেড়াচ্ছে শারদীয়ার সুর, জানুন কেমন হতো ২০০ বছর আগের দুর্গাপুজো, দেখুন তথ্য সম্বিলিত ভিডিও

বাঙ্গালীদের মনে এখন একটাই আনন্দ, আর কিছু দিনের অপেক্ষা, তারপরেই আসতে চলেছে মা উমা। এখন থেকেই আকাশে বাতাসে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে আগমনী সুর। তবে আজ থেকে ১০০ বছর আগে, আমাদের এই কলকাতা এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকা গুলোতে পুজোর আনন্দ ছিল আরো অনেকটাই আলাদা, অনেকটাই বেশি। তখন প্রতি পাড়ায় পাড়ায় এত বারোয়ারি পুজোর ধুমধাম ছিল না। তখন পূজা বলতেই মনে করা হতো কিছু বাড়ির বনেদি পুজো।

এই বনেদি পুজো নিয়েই মানুষ আনন্দে মেতে থাকতো পুজোর চার দিন। বাচ্চাদের জামা বলতে, নীল রঙে ছাপা পোশাক। বড়রা পুজোর চারদিন ধোয়া জামা কাপড় পড়তেন।তখনকার মানুষ সারা বছর জামা-কাপড় কিনতেন না। চড়ক এবং দুর্গাপুজো এই দুইটি সময় তারা কেনাকাটা করতেন। শুধুমাত্র বাঙালি নয়,ইংরেজরাও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতেন বাঙালি জমিদারদের কাছ থেকে দূর্গা পূজার নিমন্ত্রণ পাবার জন্য।

আজ থেকে প্রায় পাঁচশো বছর আগে বাংলায় প্রথম দুর্গাপুজো চালু করেন রাজা কংস নারায়ন। তখন ভারতবর্ষের শাসন করতেন দিল্লীর মুঘল সম্রাট আকবর। তবে কংস নারায়ন আদতে কোন রাজা ছিলেন না, তিনি বড় মাপের জমিদার ছিলেন।নিজের খ্যাতি বাড়ানোর জন্য পুরোহিতরা পরামর্শমতো শরৎকালে তিনি বাংলায় শুরু করলেন দুর্গাপুজো। প্রথম বাংলায় দূর্গাপূজোতে তিনি খরচ করেছিলেন প্রায় ৮ লক্ষ টাকা। সেই থেকে বাংলার বুকে শুরু হয়েছে শারদীয়া দুর্গাপূজা।