তথ্য চুরি করছে গুগল, সুন্দর পিচাইয়ের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

বিশ্বের মানুষ যাদের ওপরে, বা যেসব সংস্থার ওপরে নির্ভরশীল, তাদের কর্তাদের একত্রে বৈঠক, এখন করোনার কারণে একসাথে হতে না পারলেও একই সাথে ভিডিও কনফারেন্স কল চার জনের। গুগুল সিইও সুন্দর পিচাই, টিম কুক, ফেসবুকের সিইও মার্ক জুকার বার্গ ও আমাজনের জেফ বেজোস। তারা এবার মার্কিন কংগ্রেসের বিচার বিভাগীয় সাব কমিটিতে প্রশ্নের মুখে বিদ্ধ। তারা সেখানে বিভিন্ন প্রশ্নের মুখে পড়েছে , তাদের বাজার গত ত্রুটি থেকে শুরু করে, বিভিন্ন প্রযুক্তিগত ত্রুটি সব কিছু। এটা তাদের কাছে নতুন কিছু না, কারণ এর আগেও এমন প্রশ্নের মুখে পরতে হয়েছে বিশ্বের এই সব বড় বড় সংস্থার মালিক, সিইও দের।

এর আগে বিল গেটস, মার্ক জুকার বার্গ, সুন্দর পিচাই সবাইকে। আসলে যে সব সংস্থার ওপরে সারা পৃথিবী নির্ভরশীল, তাদের প্রযুক্তি বিদ্যার ওপরে নির্ভর করেই সব কাজ এতো সহজ হয়, সেখানে যাতে কোনো রকম গলদ না থাকে, সেটা নিয়েই বারবার প্রশ্ন উঠতে থাকে বিভিন্ন মহল থেকে, কিন্তু তারা সবাই সেটার সঠিক উত্তর দিয়ে থাকে। এবারও তারা সেই আকজ করেছে।

এবার সেখানে সবাই থাকা সত্ত্বেও, সবার নজর ছিল গুগুল সিইও সুন্দর পিচাইয়ের ওপরেই। মার্কিন এন্টি ট্রাস্ট কমিটির প্যানেলে সবাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়, কিন্তু তার উত্তরও সঠিক ভাবেই দেয় তারা। এন্টি ট্রাস্ট কমিটি জানায়, গুগুলের ব্যবসা এতোটা ফুলে ফেপে উঠেছে, কোটি কোটি গ্রাহক, সারা বিশ্ব যাদের ওপরে ভরসা করে আছে, তাদের কেন তথ্য চুরি করার দরকার পরে, কেনো তারা বাজার ধরার জন্য অন্য সংস্থার রিভিউ চুরি করে, গুগুলের মতো এতোবড় সংস্থা কিভাবে এমন কাজ করতে পারে, এই সব অভিযোগ আনা হয় গুগুলের ওপরে।

মার্কিন ডেমোক্রাট এবং এন্টি ট্রাস্ট সাবকমিটির চেয়ার ম্যান ডেভিড সিসিলিন, এই সব নিয়েই গুগুলের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলে, আর তার কারণ জানতে চাইলে, গুগুলের সিইও সুন্দর পিচাই জানায়, আসলে গুগুলের মতো সংস্থার বাজার ধরতে কখনই তথ্য চুরি করার দরকার পরে না, গুগুল সর্বদা নিজের ১০০% দিয়ে কাজ করে, আর তারা জানে কিভাবে প্রযুক্তির মান ধরে রাখতে হয়। আর গ্রাহকদের মন গুগুল এমনি জয় করেছে, তার জন্য কোনোভাবেই তথ্য চুরি করার দরকার পরে না।

এদিকে বাদ যায় নি মার্ক জুকারবার্গও, তাকেও এই সব বিভিন্ন প্রশ্নের মুখে পরতে হয়েছে, এর আগে ফেসবুক নিয়ে কম ঝামেলার মুখে পরতে হয় নি মার্ক জুকারবার্গকে। তাকে সেখানে প্রশ্ন করা হয় বিজ্ঞাপনের কৌশল নিয়ে, তারপরে জেফ বেজোসকেও বাজার দখলের লড়াই নিয়ে প্রশ্ন করা হয় ও এর জন্য কোনো অর্থনৈতিক পন্থা নেওয়া হয় কিনা, সেটাও জিজ্ঞাস করা হয়, তখন তিনি তাদের উদ্দেশ্যে জানায়, এই নিয়ে কোনো ধরনের ভুল ত্রুটির প্রশ্নই ওঠে না, কারণ আমাজন তার ব্যবসার ক্ষেত্রে সর্বদা সৎ ও গর্বিত।