“ইজ অফ ডুয়িং বিজনেস”-এ দ্বিতীয় স্থান অ’ধি’কা’র, এনকাউন্টার প্রা’য় ৩৫০০, চার ব’ছ’রে যোগীর সাফল্য

উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের রাজত্বে অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নেওয়া হয়েছে। যার ফলাফল স্পষ্ট। অপরাধ দমনে উদ্যোগী যোগীর প্রশাসনে পুলিশের এনকাউন্টারে ১৩৯ জন অপরাধীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। অন্যান্য ক্ষেত্রে এনকাউন্টারে আহত হয়েছে প্রায় ৩ হাজার ১৯৬ জন। অপরাধ দমন করতে গিয়ে ১৩ জন পুলিশকর্মীকেও এনকাউন্টারে প্রাণ হারাতে হয়েছে। বর্তমানে পুলিশ কর্মীদের মধ্যে থেকে আহতের সংখ্যা ১ হাজার ১১২ জন‌।

এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে উত্তর প্রদেশের মুখ্য সচিব অবনিশ কুমার অবস্থি জানিয়েছেন, রাজ্য সরকারের নির্দেশে কুখ্যাত মাফিয়া, অপরাধী এবং তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ২০ মার্চ ২০১৭ থেকে এই বছরের জুন মাস পর্যন্ত পুলিশের এনকাউন্টারে ১৩৯ জন অপরাধীর মৃত্যু হয়েছে এবং ৩ হাজার ১৯৬ জন আহত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে একটি রিপোর্টে। অপরপক্ষে এই এনকাউন্টারে ১৩ জন পুলিশ কর্মী মৃত্যু হয়েছে এবং তার সঙ্গে আহত হয়েছেন ১ হাজার ১২২ জন।

তিনি আরো জানিয়েছেন, উত্তর প্রদেশে গ্যাংস্টার অ্যাক্ট অনুযায়ী অপরাধীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিয়ে ১ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকার বেশী অবৈধ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এরমধ্যে গত বছরের জানুয়ারি মাস থেকে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৩২২ কোটি টাকা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। গ্যাংস্টার অ্যাক্ট অনুযায়ী গত চার বছরে ১৩ হাজার ৭০০-র বেশী মামলা দায়ের করা হয়েছে। ৪৩ হাজারের বেশী অপরাধীদের গ্রেফতার করেছে যোগীর প্রশাসন।

সবথেকে বেশি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হয়েছে বারাণসীতে। সেখানে সর্বাধিক ৪২০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তার সাথে অপরাধীদের ২০০ কোটি টাকারও বেশী সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে গোরক্ষপুর। সেখানে ২০৮টি মামলা দায়ের হয়েছে এবং তার সঙ্গে ২৬৪ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হয়েছে। বিগত ৪ বছরে ‘ইজ অফ ডুয়িং বিজনেস” এর মামলায় তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র আর তেলেঙ্গানার মতো রাজ্যকে পেছনে ফেলে দিয়ে সারা ভারতবর্ষের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে উত্তর প্রদেশ।