সম্বল শুধু চায়ের দোকান, সেটাও বন্ধ, অবসাদে আত্মঘাতী যুবক

ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমানের কাটোয়াতে। দেশে চলছে টানা লক ডাউন, সবাই কাজ বন্ধ করে বাড়িতে বসে। আর সেই কারণেই আর্থিক টানাপোড়েন। এই যন্ত্রনা আর সহ্য করতে না পেরেই এমন কাজ করে বসল সেখানকার এক যুবক। সেই যুবক ছিল একজন চা বিক্রেতা, কিন্তু লক ডাউনের কাজে সব কিছু হয়ে যায় ওলোট পালট। চোখের সামনে দেখতে থাকে অন্ধকার।
তার সংসারে ছিল মা, বাবা, ভাই। সেই যুবকের চায়ের দোকান তার বাড়িতেই ছিল, কিন্তু লকডাউনের পর থেকেই সেই যে ঝাপ বন্ধ আর খোলার সুযোগই পেলো না সে।

তার ভাই সোমরাজ ভিন্ন দেশে গিয়ে কাজ করে, কিন্তু লক ডাউনের জন্য সেও বাইরে। মৃত যুবকের নাম দেবরাজ, এই লকডাউনের দিন গুলো নিজের ব্যবসার পুজি ভেঙ্গেই কষ্ট করে সংসার চলছিল, আর সে ধীরে ধীরে চলে যাচ্ছিল মানসিক অবসাদে। তার মনের মধ্যে চিন্তা দানা বাধছিল, সামনের দিন গুলোতে কি হবে, কিভাবে সংসার চলবে।

তার মৃত্যুর পর পুলিশ সেখানে যায়, পুলিশ সুত্রে খবর জানা যায়, প্রতিদিনের মতোই খাওয়া দাওয়া করে সে তার ঘরে চলে যায়। আর তারপরে অনেক আত্মীয় স্বজনের সাথে তিনি ফোনেও কথা বলেন। কিন্তু তার পরে সকাল হতেই যখন তার ঘর থেকে কোনো সাড়া শব্দ পাওয়া যায় না তখন সবাই দরজা ভেঙ্গে দেখে তার ঝুলন্ত দেহ। এই কান্ড দেকে স্বাভাবিকভাবেই পরিবার কান্নায় ভেঙ্গে পরে, তার পরে তার দেহ নিয়ে যাওয়া হয় ময়না তদন্তের জন্য।।