ফের কি বি’য়ে’র পিঁড়িতে বসবেন না’কি সামান্থা? কে উৎসাহ জোগালেন?

বর্তমানে বিবাহবিচ্ছেদ খুব সহজ একটা বিষয় হয়ে গিয়েছে। কোনো মনোমালিন্য হলে, একে অপরের সাথে থাকতে বা মানিয়ে নিতে অসুবিধে হচ্ছে মনে হলেই ডিভোর্সের পথে হাঁটছেন বহু দম্পতি। আর সেই দম্পতি যদি সেলিব্রিটি হয় তাই সিনে দুনিয়ার তাহলে তো চর্চার অন্ত থাকে না। ঠিক তেমনি হয় যখন শোনা যায় নাগার্জুনের ছেলে নাগা চৈতন্যের সাথে সামান্থা প্রভুর বিবাহের বিচ্ছেদ ঘটেছে। একটা বিরাট চর্চা হলেও কেউই পরিষ্কার করে জানান নি কেনো তারা বিচ্ছেদ করেছেন তাদের সম্পর্কের।

তাই যে যেমন পেরেছে অনুমান করে নিয়েছে। কেউ ভেবেছেন সমন্থার পুস্পার আইটেম সং এর মত সাহসী নাচ পছন্দ করেন নি নাগা তাই এরকম হয়েছে। কেউ কেউ তো মা হতে চান নি এসবও বলেছেন।

তবে এখন নতুন খবর পাওয়া যাচ্ছে নতুন করে জীবনটাকে গুচটে চাইছেন সামান্থা। নতুন কোনো সঙ্গীর সাথে। তাঁর গুরু সদগুরুর কোথায় অনুপ্রেরিত হয়ে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে তাঁর মুখ থেকে এমন বলতে শোনা যায়নি তাঁকে।

কিন্তু তাতে তো আর ভক্তকুল চুপ করে নেই। তাঁরা কে সামান্থার নতুন সঙ্গী জানতে আগ্রহী। জানা যায় বিবাহবিচ্ছেদের আগে থেকেই আধ্যাত্মিক চর্চায় ডুবে ছিলেন সামান্থা রুথ প্রভু। একাধিক অনুষ্ঠানে কিংবা সমাজমাধ্যমের পোস্টে সদ্‌গুরুর প্রতি সম্মান, শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন তিনি।

আরো পড়ুন: আসছে Pulsar ইলেকট্রিক, অ’ধী’র আ’গ্র’হে বসে আছেন গ্রাহকরা

এই সদগুরু জগদীশ বাসুদেব তিনি মাইসুরুর বাসিন্দা। ১৯৪২ সাল থেকে দাক্ষিণাত্যের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে যোগশিক্ষার চর্চা করে আসছেন তিনি।১৯৯২ সালে কোয়ম্বত্তূরে ইশা ফাউন্ডেশন স্থাপন করেন গুরু জগদীশ। ধীরে ধীরে তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে উত্তর ভারতেও। তাঁর বক্তৃতায় উদ্বুদ্ধ হন যুব সমাজ থেকে বৃদ্ধ সকলেই। তাঁকে অনেকেই নিজের গুরু বলে মানেন। সমন্থাও তাই। আর তাঁর নির্দেশই সামান্থা নিজের জীবনকে দ্বিতীয় সুযোগ দিতে চাইছেন বলে জানা যাচ্ছে।