বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ, বিধানসভায় অনাস্থা প্রস্তাব আনার পক্ষে বিজেপি, হুকার ছাড়লেন দিলীপ ঘোষ

সামনেই রাজ্যে একুশে বিধানসভা নির্বাচন, আর তার আগেই দুই পক্ষ একেবারে দারুণ ভাবে প্রস্তুতি শুরু করেছে। দফায় দফায় বিভিন্ন জায়গায় করছে সবাই মিটিং মিছিল। সম্প্রতি বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এর মুখ দিয়ে শোনা গেল এক অবাক করা কথা। এই বিধানসভায় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে পারে বিজেপি সরকার এমনটা জানালো দিলীপ ঘোষ। আজ মঙ্গলবার তিনি সাংবাদিকদের সামনে এমনটাই জানিয়েছেন, কে বলেছেন আমরা অনাস্থা প্রস্তাব আনতে পারি রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে।আমাদের কাছে এখন অনেক বিধায়ক রয়েছে এমনকি আরো অনেকে রয়েছে যারা এখনো বিজেপিতে যোগদান করেননি। যদি বিধানসভার অধিবেশন ডাকা হলে সেখানে যদি অনাস্থা নিয়ে আসা হয় তাহলে যখন-তখন সরকার পড়ে যেতে পারে। এই নিয়ে চলছে চিন্তাভাবনা।

তবে দিলীপ ঘোষ এখানেই ছেড়ে দেননি মমতা বন্দোপাধ্যায় কে নিয়ে কটাক্ষ করে বলেছেন,রাজ্যের মানুষের স্বাস্থ্য সাথী কার্ড কেন্দ্র সরকারের কিষান সম্মান নিধি প্রকল্প সমস্ত নিয়েই তোপ দেগেছেন তিনি। তুমি বলেছেন লাইনে দাঁড়িয়ে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড গ্রহণ করছে মুখ্যমন্ত্রী। সেটা কি মুখ্যমন্ত্রী পাবার যোগ্য? সমস্ত তাই নাটক কারণ এর আগে নোট বাতিলের সময় আমরা দেখেছি রাহুল গান্ধীও লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে টাকা তুলেছেন। যারা হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি করে আসছে তাদের জন্য ১০,০০০ টাকা টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়ছে। এটা যে সমস্ত টাই লোকদেখানো সেটা স্পষ্ট।

তবে তিনি বলেছেন কিষান সম্মান নিধি প্রকল্প রাজ্যে চালু করলে, কৃষকদের আশীর্বাদ পাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সারা দেশের কৃষকরা যেখানে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের আওতায় এসেছে। সেখানে রাজ্যের কৃষকরা কেন বঞ্চিত? ইতিমধ্যে রাজ্যের কৃষকরা যাতে তাদের ন্যায্য অধিকারের টাকা হাতে পায় সেই নিয়ে আমরা অনেক আগে থেকেই বলে আসছি। দেশের কৃষকরা ইতিমধ্যে ১৪,০০০ টাকা পেয়েছে। এতদিন কথা না বললেও শেষে এসে তিনি এই প্রসঙ্গ তুলেছেন ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়ার আগেই তিনি যে এই ধরনের কথাবার্তা বলেছেন সত্যিই অবাক করে।ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী কর্তব্য ৭৩ লক্ষ কৃষকের নাম কেন্দ্রে পাঠিয়ে দেওয়া সেখানে সমস্ত তা খতিয়ে দেখে তাদের সবাইকে আর্থিক সাহায্য করা হবে।