বিরল প্রজাতির দু-মুখো সাপ, ভারতের সবথেকে বিষধর সাপ নাকি এরাই !

রাসেল ভাইপার স্নেক, এমনিতেই খুব ভয়ঙ্কর হয় এই প্রজাতির সরীসৃপ। এক ছোবলেই ছবি করতে পারে যে কোন মানুষকে। কিন্তু যদি হয় একসঙ্গে দুটো, তখন কি হবে?মহারাষ্ট্রের কল্যাণের গান্ধারে রোড এলাকা থেকে সম্প্রতি উদ্ধার করা হলো দুমুখো একটি রাসেল ভাইপার স্নেক। বিশেষজ্ঞদের মতে, মানবদেহে যেমন দুটি জোড়া যমজ সন্তান হওয়ার অস্বাভাবিকতার লক্ষণ, সর্প দের ক্ষেত্রেও তাই।সঠিকভাবে বলতে গেলে প্রাণীকুলে যেকোনো যমজ জোড়া সন্তানই অস্বাভাবিকতা লক্ষণ নিয়ে জন্মায়। মানব শরীর নিয়ে যমজ সন্তান বেশ কিছুদিন বেঁচে থাকলেও অন্যান্য জীব খুলে এইরকম যমজ সন্তান বেশিদিন বেঁচে থাকতে পারেনা। মহারাষ্ট্রের এই রাসেল ভাইপার যমজ সরীসৃপ টি ১১ সেমি লম্বা।

দুই মস্তকের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে প্রতিটি ২ সেমি করে। সাপটির শরীরের প্রস্থ ১ সেমি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত বছর এই অঞ্চল থেকেই আরো একটি এই প্রজাতির সাপ উদ্ধার করা হয়েছিল। পৃথিবীর সমস্ত বিষধর সাপ গুলির মধ্যে এটি অন্যতম। সূত্র পাওয়া খবর অনুযায়ী, আপাতত বনদফতরের পক্ষ থেকে এই সাপটিকে প্যারেলের হ্যাফকাইন ইনস্টিটিউটে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টো নাগাদ গান্ধারে রোডে রুতু রিভারসাইড এস্টেটে নিজের এপার্টমেন্টের বাইরে রাসেল ভাইপার সাপ দেখেই ডিম্পল শাহ প্রথমে হকচকিয়ে যান।

পরে তড়িঘড়ি স্থানীয় সাপ উদ্ধারকারী দলকে খবর দেন। এরপর ওয়ার রেসকিউ ফাউন্ডেশনের প্রেম আহের এবং নিলেশ নাভসারে নামে দুই বনকর্মী এসে সাপটিকে উদ্ধার করেন।আইএফএস আধিকারিক সুশান্ত নন্দা এই সাপটির ছবি এবং ভিডিও পোস্ট করেন ইনস্টাগ্রামে। ভিডিওটি দেখে অনেকেই হতবাক হয়ে যান। সুশান্ত নন্দা নিজের ইনস্টাগ্রামে ছবি পোস্ট করে লেখেন,”রাসেল ভাইপার পৃথিবীর সবথেকে বিষধর সাপ গুলির মধ্যে অন্যতম। প্রথম কামড় যদি কোনভাবে সহ্য করে নেওয়া যায়, রাসেল ভাইপার মরণ কামড় দিতে সক্ষম”।যোগেশ কাম্বলে জানান,”রাসেল ভাইপার কে নিয়ে ইতিমধ্যেই চারটি তথ্যচিত্র বানানো হয়েছে। কিন্তু জিনগত সমস্যার কারণে এইরকম জমজ রাসেল ভাইপার বেশিদিন বেঁচে থাকতে পারে না”।

সব খবর সরাসরি পড়তে আমাদের WhatsApp  Telegram  Facebook Group যুক্ত হতে ক্লিক করুন