বাড়ছে ইন্দো-চিন উত্তেজনা, মার্কিন প্রতিরক্ষা প্রধানের সঙ্গে আলোচনার পথে রাজনাথ সিং

চিন উপরে উপরে দেখাতে চাইলেও, তলে তলে তারা যে যুদ্ধের জন্য তৈরী হচ্ছে এটা কিন্তু স্পষ্ট। আর এটা তাদের বৈঠকের পরের কার্যকলাপ দেখলেই বোঝা যায়। তাই এবার ভারত আর কোনো ধরনের যে ভুল করতে চায় না, সেটা ভারতের কার্যকলাপ দেখলেও বোঝা যায়। কারণ ভারত এবার ইতিহাসের থেকে শিক্ষা নিয়ে সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। এখন যুদ্ধ বাধলে কি অবস্থা আগামীতে হতে পারে, কি কি সম্মুখীন করতে হতে পারে সেইসব নিয়েই আমেরিকার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মার্ক এস্পারের সাথে ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বৈঠকে বসেছে।

সূত্রের মাধ্যেমে জানা গিয়েছে, এখন এই সব নিয়েই কথা বার্তা হতে পারে তাদের মধ্যে। সামরিক বিশেষজ্ঞরা এখন তাদের মত প্রকাশ করেছে। তারা জানিয়েছেন, পিপলস লিবারেশনের আর্মি এয়ারফোর্সের বিমান ইতিমধ্যে পাকিস্তানের বিমান ঘাটিতে মোতায়েন করা আছে, কিছু হলেই তারা ভারতের উদ্দেশ্যে উড়ে আসবে। এখন দেখা যাচ্ছে ভারতের সাথে খারাপ সম্পর্ক নেপালের, পাকিস্তানের। তাই এবার চিন দুই দেশকে একসাথে করে তিনদিক দিক থেকে হামলা করতে।

কিন্তু ভারত তো আর হাত গুটিয়ে বসে নেই। তারা চিনের এই সব স্ট্র্যাটেজি বুঝতে পেরেই উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা শুরু করেছে। ইতিমধ্যে জাপানের সাথে ও অস্ট্রেলিয়ার সাথে কথা বার্তা সেড়ে নিয়েছে, এবার ভারত সুযোগ কাজে লাগিয়ে আমেরিকার সাথেও এই বিষয় নিয়ে কথা বার্তা শুরু করেছে। আমরা সবাই জানি ট্রাম্পের সাথে প্রধানমন্ত্রীর মোদীর কেমন সম্পর্ক। তাই এবার সেটাকেই কাজে লাগাতে চাইছে ভারত। এমনটাই বিশেষজ্ঞদের ভাবনা। তবে এই আমেরিকার সাথে যে বৈঠক হতে চলেছে, সেটা কিন্তু লুকিয়ে ছুপিয়ে না। প্রকাশ্যেই বলা হয়েছে লাদাখ নিয়ে কথা হবে দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের সাথে।

এদিকে সূত্রের মাধ্যমে খবর এসেছে যে, আমেরিকার সাথে চিনের সম্পর্ক কোনোভাবেই ভালো না, তাই আমেরিকাও এই সুযোগে চিনকে শিক্ষা দেওয়ার একটা প্ল্যান করছে। তাই দেখা গেছে ইউরোপ থেকে ইতিমধ্যেই মার্কিন সেনা সড়িয়ে আনা হয়েছে। সমুদ্রেও মোতায়েন করা হয়েছে রণতরী। ইতিমধ্যে ভারতের সাথে অস্ট্রেলিয়ার লজিস্টিক সাপোর্টের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তি নিয়ে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছেন, এর দ্বারা ভারত ও দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে দুই দেশের সামরিক শক্তি বিনিময় করা হবে। এখন সহজেই অস্ট্রেলিয়ার সেনাঘাটিকে ব্যবহার করে দুই সাগরে আনাগোনা করতে পারবে, যাতায়াত করতে পারবে ভারতীয় নৌসেনারা।