গ্রামের সংস্কৃতিতে আজও “পুতুল” রূপে বেঁচে আছেন বাকিংহাম প্যালেসের রানী ভিক্টোরিয়া

মহারানী ভিক্টোরিয়ার এক কাছের বন্ধুর নাম ছিল আব্দুল। মহারানীর সঙ্গে তার সুসম্পর্ক দেখে অনেকেরই কপালে ভাঁজ পড়তো। তাই জন্য মহারানীর রাজকর্মচারীর অনেক চেষ্টা চরিত্র করে ছিল যদি আব্দুল এর সাথে মহারানীর সম্পর্কে বিঘ্ন ঘটানো যায়। কিন্তু চেষ্টা সত্ত্বেও তাদের ফল হয়নি, ব্যর্থ হয়েছিল তারা। মহারানী ভিক্টোরিয়ার আরেক পরমব্রত বন্ধু ছিলেন প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর। এই সুবাদে বেশ কয়েকবার কলকাতায় পা রেখেছিলেন মহারানী।

মহারানীর এই ভারতপ্রীতি কে স্বাগত জানিয়েছিল ভারতবাসীরা। তিনি রদ করেছিলেন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন কে।  মহারানী ভিক্টোরিয়ার প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে আমাদের ভারতবর্ষের সংস্কৃতিতে। সমাজ,সভ্যতা ও সংস্কৃতির অন্যতম উপাদান পুতুল। বহু প্রাচীনকাল থেকেই পুতুলের প্রচলন। বাংলার বিভিন্ন স্থানে খননকার্য চালিয়ে পোড়া মাটির পুতুল পাওয়া গেছে। ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপে যুগে পুতুলের প্রচলন দিনে দিনে লোপ পেতে বসেছে। পুতুল এখন স্থান পেয়েছে মিউজিয়ামের মধ্যে।

মহারানীর আদলে তৈরি পোড়ামাটির এই বিশেষ পুতুলটিকে গোলাপি রঙ করে তাতে অভ্র লাগানো। পুতুল টির মাথাজুড়ে কোঁকড়ানো কখনো চুল। পুতুলটি কোনও পা থাকে না। কোমর থেকে দেহের বাকি অংশ ঢাকা থাকে ঘাঘরার মাধ্যমে। কখনও কখনও মুকুটও পরানো হয়। এই ভাবেই বেঁচে আছে হাওড়া জেলার লোকশিল্প। শিল্পের নাম রানী পুতুল।

লোকসংস্কৃতি গবেষকদের মতে, দক্ষিণ পাতিহাল ও জগৎবল্লভপুরের নরেন্দ্রপুর গ্রামের পুতুল শিল্পীরা যে পুতুল বানালেন তার মধ্যে নিয়ে এলেন অন্য রকমের রানি ভিক্টোরিয়ার দেহ-চুলের গঠন। এইভাবে মহারানী স্থান করে নিলেন বাংলার সংস্কৃতিকে।

সব খবর সরাসরি পড়তে আমাদের WhatsApp  Telegram  Facebook Group যুক্ত হতে ক্লিক করুন