চুলকানির স’ম’স্যা? এবার সহজেই দাদ থেকে পা’ন মু’ক্তি, জানুন ঘ’রো’য়া উপায়

প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবনে তাল মিলিয়ে চলার সাথে সাথে নিজের শরীর এবং স্বাস্থ্যের প্রতি ঠিকমতো খেয়াল রাখা হয়ে ওঠে না। আর দিন দিন এরূপ অবহেলা চলতে থাকে বলেই নানা ধরণের সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। এমনই একটি অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসের পরিণতি হল দাদ বা চুলকানি রোগ। আজকাল অনেকেই এই সমস্যায় ভুগছেন।

প্রাথমিক অবস্থায় দাদকে চেনা যায় না। প্রথমদিকে সামান্য জ্বালাজ্বালা করে তারপর ধীরে ধীরে ত্বকের ওপর একটা আস্তরণের মত পড়তে শুরু হয়। সাথে চুলকানিও বাড়তে থাকে। আর এই দাদ বা চুলকানি এমন একটি রোগ যেটা চুলকাতে থাকলেই আরও বাড়তে থাকে। তাই প্রথমে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ঘরোয়া কিছু উপায় ব্যবহার করে দেখা যেতে পারে। যদি তাতে ঠিক না হয় তখন তো অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। তাহলে আজ দেখে নেওয়া যাক দাদ থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায় গুলি কি কি –

১. কাঁচা হলুদের রস

হলুদকে প্রাকৃতিক অ্যান্টি সেপটিক ও অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদান হিসাবে মানা হয়। আর এই কাঁচা হলুদের রস দাদ হওয়া স্থানে যদি ভালো করে মাখিয়ে দেওয়া যায় তাহলে তা চুকলানি কমানোর পাশাপাশি সংক্ৰমণ বেড়ে যাওয়া আটকাতেও সাহায্য করে।

২. তুলসী পাতা

সর্দি কাশির অব্যর্থ ওষুধ তুলসী পাতা। শুধু তাই নয়, নানা রোগ থেকে মুক্তি পেতেও এই তুলসী পাতা দারুণ উপকারী। তুলসী পাতার মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি ফাঙ্গাল গুণাবলী যেটা দাদের সংক্ৰমণ রোধ করতে সাহায্য করে।

৩. অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরা মানুষের জীবনের প্রায় সব ক্ষেত্রেই কাজে লাগে। ত্বকের সমস্যার ক্ষেত্রে তো এর জুরি মেলা ভার। তাই দাদের ক্ষেত্রেও এটি বেশ উপকারী। অ্যালোভেরার মধ্যে রেজিন থাকে যেটা সংক্রমণ কমাতে দারুণ কার্যকর। এর পাশাপাশি চুলকানিভাব কমানো ও প্রদাহ কমাতেও সাহায্য করে।

৪. মধু

মধুর মধ্যে থাকে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড যা ছত্রাক নাশক হিসাবে কাজ করে। তাই শরীরের যে স্থানে দাদ হয়েছে সেখানে মধু লাগিয়ে দিলে প্রদাহ ও চুলকানি থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে।

৫. রসুন

রসুন ছত্রাক জনিত সংক্ৰমণ দূর করতে সাহায্য করে। আর দাদ একটি ছত্রাকজনিত সংক্ৰমণ, তাই দাদের ওপর রসুন দারুন কার্যকরী। ১ কোয়া রসুন ভালো করে থেতলে নিয়ে তাতে কয়েক চামচ অলিভ অয়েল ও সমপরিমাণ মধু মিশিয়ে দাদের জায়গায় লাগিয়ে নিন। এরপর মিনিট ১৫-২০ পর জল দিয়ে ধুয়ে নিন। এতে চুলকানি যেমন কমবে তেমনি উপশমও হবে।