ক’রো’না কালে প্রেগনেন্ট মহিলারা এই ভ্যা’ক’সি’ন গুলো নিয়ে সতর্ক থাকুন, সুস্থ থাকবে সন্তান

প্রায় এক বছর অতিক্রান্ত হতে চলেছে করোনার। মানুষের বুকে আশা জাগিয়ে এবার আসতে চলেছে করোনার ভ্যাকসিন। ইতিমধ্যে বিভিন্ন এলাকা তে এসে পৌঁছেছে এই ভ্যাকসিন।আরো একবার নতুন ভাবে বেঁচে থাকার তাগিদ দেখা যাচ্ছে সকলের মনে। তবে করণা ভ্যাকসিন নিলেও কিছু সাবধানতা আমাদের সকলকেই অবলম্বন করতে হবে।কারণ করণা ভ্যাকসিন সম্পূর্ণভাবেই আমাদের প্রতিরোধ করার ক্ষমতা প্রদান করবে না।

এই সময় সব থেকে বেশি সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের। কারণ করোনার পাশাপাশি ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের সংক্রমণ এই সময়ে অধিক দানা বাঁধে। তাই ঠিক সময়ে ঠিক ভ্যাকসিনেশনের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে তাদের। পাশাপাশি সন্তানকে কিভাবে বড় করতে হবে, সেই দিকেও নজর দিতে হবে অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের।

করণা সংক্রমণ এবং অন্তঃসত্ত্বা: ভ্যাকসিন এসে গিয়েছে মানেই সবকিছু ঠিক হয়ে গেছে তা কিন্তু নয়। এখন সবথেকে বেশি সচেতন থাকতে হবে অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় যে কোন মহিলারা তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। তাই সহজেই যে কোন রোগে আক্রান্ত হতে পারেন তারা। এই সময় বিশেষ ভাবে যত্ন নিতে হবে নিজের শরীরে র , না হলেই বিপদ।

আগাম পদক্ষেপ: অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের মাক্স পড়ার পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।যারা গর্ভবতী তাদের বারবার হাত মুখ ধুয়ে নিতে হবে। অকারণ এ চোখে নাকি এবং মুখে আঙ্গুল দেবেন না। ডাক্তারের কাছে মাঝে মাঝেই চেকআপ করিয়ে নেওয়া ভালো। সমস্ত ক্ষেত্রে মেটারনাল ম্যানেজমেন্ট খুবই জরুরী।

ভ্যাক্সিনেশন: ঋতু পরিবর্তনের জেরে নানারকম ভাইরাল দেখা যায়। তাই সব সময় সাবধান থাকতে হবে গর্ভবতী মহিলাদের। রোগপ্রতিরোধের ক্ষমতা উপর গুরুত্ব দেওয়া বেশি জরুরি। তাই কয়েকটি ভ্যাক্সিনেশন এর উপর নজর দিতে হবে তাদের।

রুবেলা: অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন মা রুবেলা ভাইরাস এ আক্রান্ত হলে ভ্রূণে সিআরএস দেখা যায়। এর ফলে গর্ভপাতের প্রবল সম্ভাবনা থাকে।এই রোগ প্রতিরোধের জন্য এম এম আর ভ্যাকসিন দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

হেপাটাইটিস বি: একবার সদ্যোজাতের হেপাটাইটিস-বি দেখা গেলে, সারা জীবন ধরে লিভার ড্যামেজ এবং ক্রনিক ইনফেকশন থাকতে পারি সেই বাচ্চাটির। তাই এই সময় হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিন দেওয়া টা খুবই জরুরী।

চিকেন পক্স: চিকেন পক্স মায়েদের হলে সন্তান মানসিক বিকারগ্রস্ত হতে পারে। শিশু জন্মের ক্ষেত্রে অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই ভ্যাক্সিনেশন সঠিক রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা দিতে পারে মাকে।

hpv: অল্প বয়স থেকেই শিশুকন্যাদের জন্য এই ভ্যাকসিন খুব জরুরী। এছাড়াও টিটেনাস এবং ইনফ্লুয়েঞ্জার জন্য কিছু ভ্যাকসিন নিয়ে নেওয়া উচিত মায়েদের।