পোস্ট অফিসের ঝুঁকিহী’ন স্কি’ম, মে’য়া’দ মা’ত্র ১০ বছর, জানুন বিস্তারিত

মানুষের কাছে একটি নির্ভরযোগ্য নাম হল পোস্ট অফিস। সবাই এই প্রতিষ্ঠানকে চোখ বন্ধ করে ভরসা করেন। পাশাপাশি, পোস্ট অফিসও গ্রাহক এবং বিনিয়োগকারীদের কথা মাথায় রেখেই যুগের সাথে তাল মিলিয়ে একাধিক লাভজনক স্কিম নিয়ে আসে। যেখানে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ঝুঁকির কোনো প্রশ্নই থাকেনা।

সেই রেশ বজায় রেখেই সকলের কাছে পোস্ট অফিসের সেভিংস স্কিম কিষাণ বিকাশ পত্র একটি ভাল বিকল্প হতে পারে। পোস্ট অফিসের স্কিমগুলিতে সাধারণত দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ লক্ষ্য করা যায়। পাশাপাশি, এই স্কিমগুলিতে সরকারি গ্যারান্টি পাওয়া যায়, অর্থাৎ এতে কোনো ঝুঁকির সম্ভাবনা নেই।

এছাড়াও, বিনিয়োগের পরে নিশ্চিত রিটার্নও পাওয়া যায়। বর্তমান প্রতিবেদনে আমরা আপনাদের কাছে পোস্ট অফিসের যে স্কিমটির প্রসঙ্গ বিস্তারিত ভাবে উপস্থাপিত করব তার নাম হল কিষাণ বিকাশ পত্র। স্কিমের সময়কাল ১২৪ মাস অর্থাৎ ১০ বছর ৪ মাস।

আরো পড়ুন: বিশ্বের দীর্ঘতম গা’ড়ি, আ’ছে হেলিপ্যাড, ভি’ত’রে রয়েছে সুইমিং পুল, দেখুন গাড়িটির অন্দরসজ্জা

আপনি যদি এই স্কিমে ১ এপ্রিল ২০২২ থেকে ৩০ জুন ২০২২-এর মধ্যে বিনিয়োগ করে থাকেন, তাহলে আপনার জমা করা অর্থ ১০ বছর ৪ মাসে দ্বিগুণ হয়ে যাবে। পাশাপাশি, কিষাণ বিকাশ পত্রে, বিনিয়োগকারীরা বার্ষিক ৬.৯% চক্রবৃদ্ধি সুদের সুবিধা পাবেন।

এছাড়াও, ন্যূনতম ১,০০০ টাকার বিনিয়োগের সাথে কিষাণ বিকাশ পত্র শংসাপত্র কেনা গেলেও এই স্কিমে কোনো সর্বোচ্চ বিনিয়োগের সীমা নেই। অর্থাৎ, আপনি এই স্কিমে যত চান তত টাকা রাখতে পারেন।

মূলত এই প্রকল্পটি ১৯৮৮ সালে শুরু হয়েছিল। তখন এর উদ্দেশ্য ছিল, কৃষকদের বিনিয়োগ দ্বিগুণ করা। কিন্তু এখন এটি সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

আরো পড়ুন: চেয়ারে ব’সে কা’জ করছেন বৃদ্ধ, পিছন থেকে এসে হা’ম’লা’র চে’ষ্টা’য় বি’ষা’ক্ত সাপ, সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল

বলা যেতে পারে যে, শুধুমাত্র কৃষকদের সঙ্গে বর্তমানে কিষাণ বিকাশ পত্রের কোনো সম্পর্ক নেই। তবে, এই স্কিমে ৫০,০০০ টাকার বেশি বিনিয়োগের জন্য সরকার ২০১৪ সালে প্যান কার্ড বাধ্যতামূলক করেছে।

এছাড়াও, ১০ লক্ষ বা তার বেশি পরিমান অর্থ বিনিয়োগ করলে আইটিআর, বেতন স্লিপ এবং ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্টের মত আয়ের প্রমাণও (ইনকাম প্রুফ) জমা দিতে হবে। এর পাশাপাশি পরিচয়পত্র হিসেবে আধার কার্ড লাগবে।