বছরের প্রথম দিনেই WHO-র ছাড়পত্র পেলো ফাইজারের ক’রো’না টিকা

যদি দেখা যায় তবে লক্ষ্য করা যাবে ব্রিটেন আমেরিকা এই সমস্ত দেশে ইতিমধ্যে করোনা টিকাকরন শুরু হয়ে গেছে। ভ্যাকসিন নিয়ে ছাড়পত্রের অভাবেই টিকাকরণ অনেক দেশেই পিছিয়ে যায়, তবে এবার বিভিন্ন দেশ থেকেই ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে এমনকি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফ থেকেও ফাইজারের এই করোনা ভ্যাকসিনের ছাড়পত্র পাওয়া গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বছরের একেবারে শেষ দিনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফ থেকে ফাইজার বায়োএনটেককে প্রতিষেধক এর জরুরী ব্যবহারে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। আর এর মাধ্যমেই বিশ্বের মধ্যে প্রথম করোনা ভ্যাকসিনের ছাড়পত্র দেওয়া হল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফ থেকে, আমেরিকার সংস্থা ফাইজারকে।

ছাড়পত্র দেওয়ার পরেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই ফাইজারের ছাড়পত্র গোটা বিশ্ববাসীকে আরো বেশি উদ্বুদ্ধ করবে এবং তাদের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এখন বিশ্বের বিভিন্ন ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা চাইলেই ভ্যাকসিন আমদানি করে মানুষের মধ্যে বিতরণ করতে পারবে। আসলে আমরা চাইছি খুব দ্রুত বিশ্ববাসীর মধ্যে ভ্যাকসিন সরবরাহ করতে মানুষের মধ্যে মেলবন্ধন সৃষ্টি করতে।মোটকথা বিশ্বের প্রতিটি মানুষের জন্য এই ভ্যাকসিন এর চাহিদা পূরণ হয় সেই স্বার্থেই এই পদক্ষেপ।

তাছাড়া ফাইজারের এই ভ্যাকসিন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিভিন্ন নিরাপত্তা এবং শর্ত পূরণ করেছে ওর সাথে করোনার প্রকোপ কমার ইঙ্গিত মিলেছে। তবে যদি প্রশ্ন করা যায় এই ফাইজারের ভ্যাকসিন কতটা কার্যকরী? তাহলে বলা যায় এই ফাইজার ৯৫% কার্যকরী এমনটাই জানিয়েছে ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী সংস্থা।তাছাড়া এই ভ্যাকসিনের নেই কোনো পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া যার ফলে এই বিশ্ববাসী আশায় বুক বাঁধছে।