সংসদের কাজে একদম মন নেই, মোবাইলে নী’ল ছবি দেখতে ব্যস্ত সাংসদ, অস্বস্তিতে পড়লো সরকার

সকলের উপস্থিতিতে শুরু হয়ে গেছে এই অধিবেশন। তবে এর আগেও আমরা অনেকবার দেখেছি, সংসদের মধ্যে অধিবেশন চলাকালীন অনেকেই তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়েন।এবারে থাইল্যান্ডের একটি অধিবেশনে উঠে এলো আরেকটি হাস্যকর দৃশ্য। বাজেটের মত বোরিং সাবজেক্টে মন বসেনি তার। তাই থাইল্যান্ডের এমপি রনথেপ অনুওয়াতের সিসিটিভিতে ধরা পড়া একটি ভিডিও নিমেষে হয়ে যায় ভাইরাল। বাজেটের মধ্যে বসে তিনি মোবাইলে দেখে যাচ্ছিলেন একের পর এক নীল ছবি। থাইল্যান্ডের সংসদ কক্ষে বাজেট অধিবেশন চলাকালীন নিজের ফোনে নীল ছবি দেখতে এতটাই ব্যস্ত ছিলেন যে, বাইরের কোনো কিছুর দিকে তার নজর যায়নি। সবথেকে আশ্চর্যের বিষয় টি হল,নিজের এই ছবি ভাইরাল হওয়ার পর বিন্দুমাত্র কুণ্ঠিত হননি এই এমপি।

উল্টে তিনি সাফাই গেয়ে বলেন যে, কোন এক মহিলা তাকে এই সব ছবি পাঠিয়েছেন। তিনি বিপদে পড়ে তার থেকে সাহায্য চাইবার জন্য এইসব ছবি পাঠিয়েছিলেন। মহিলাটি কোনো এক অজ্ঞাত কারণে বিপদে পড়ার ফলে এমপির কাছে এই ছবিগুলো দিয়েছিলেন। মহিলাটি কতটা বিপদে রয়েছেন তা বোঝার জন্য খুব মন দিয়ে দেখছিলেন এমপি এই ছবিগুলি। তবে ছবিগুলি দেখে কারো বিপদে পড়ার কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি, কারণ প্রত্যেকটি ছবি একদম খাঁটি নীল ছবি। এমপির এহেন যুক্তি একেবারেই সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল হওয়ার পর সংবাদমাধ্যমে নিশানায় পড়ে গেছেন এই এমপি।

তবে তাতে অবশ্য তার এমন কিছু এসে যায় না। তার পরিষ্কার বক্তব্য হলো, তিনি তার মোবাইলে কি দেখবেন আর কি দেখবে না সেটা সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত বিষয়। ঘটনাটির এমপিকে জরুরি তলব করেছেন থাইল্যান্ড সরকার। তার বিরুদ্ধে কোনো রকম শাস্তির ব্যবস্থা হবে কিনা তা এখনও সন্দেহের তালিকায়। থাইল্যান্ডের আইনে সংসদ কক্ষে বসে নীল ছবি দেখলে কোন শাস্তি হয় কিনা তা এখনও জানা নেই। হলে এই যাত্রায় হয়তো কোনো রকম শাস্তি পাবেন না থাইল্যান্ডের এই সংসদ। তবে সংবাদমাধ্যম এবং বিরোধীদের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে চক্ষু লজ্জার খাতিরে পরবর্তী সময়ে তিনি একই কাজ করবেন কিনা তার দেখা সময়ের অপেক্ষা।