পাকিস্তানের বর্বরতা, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো হিন্দু মন্দির

পাকিস্তানের সাথে ভারতের বিবাদ আজকের কথা নয়, অনেকদিন ধরে চলে আসছে। যতবারই চেষ্টা করা হয়েছে ভারত পাকিস্তানের সম্পর্ক ভালো করার জন্য ততোবারই ব্যর্থ হয়েছে সমস্ত প্রচেষ্টা। বহুযুগ ধরে চলে আসছে এই বিবাদ ভবিষ্যতেও থাকবে। কিছু মাস আগে যখন এনআরসি নিয়ে দেশে বিক্ষোভ চলছে তখন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান অনেক হিন্দু মন্দির নিয়ে নানা মন্তব্য করেছিলেন। সম্প্রতি একজন মানবাধিকারকর্মী লন্ডনের একটি সভায় এই বিষয়ে কথা বললেন।

লন্ডনে কিছুদিন আগে মানবাধিকার পরিষদের ৪৫ তম অধিবেশন আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অধিবেশনে এক মানবাধিকারকর্মী বক্তব্য রাখেন যে, আগে পাকিস্তানে ৪২৮ টি হিন্দু মন্দির ছিল বর্তমানে তার সংখ্যা হল মাত্র ২০টি। কিছুদিন আগেও একটি হিন্দু মন্দির দেয়া হয়েছে পাকিস্তানের তরফ থেকে। এছাড়াও ওই অধিবেশনে ভারতের হয়ে বক্তব্য রাখা হয়েছে যে, এই দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার করা হয়, তাদের নিপীড়ন করা হয়। তাদের কোনো অধিকার নেই মানবাধিকার বিষয়ে কথা বলার। আর কোনো দেশই তাদের মুখ থেকে মানবাধিকার সম্পর্কে কোন কথা শুনতে চায় না এই বিষয়ে সবাই সহমত করবে।

এই অধিবেশনে আরও বলা হয় যে, যে দেশের প্রধানমন্ত্রী নিজেই বলেন এই দেশ হল জঙ্গিদের আঁতুড়ঘর, ১০ হাজার জঙ্গি তৈরি করা হয়েছে কাশ্মীর দখলের জন্য, সেই দেশের সম্বন্ধে আর কি বা বলা যেতে পারে। এছাড়াও রয়েছে পাকিস্তানে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ যার সম্বন্ধে প্রধানমন্ত্রী কোন তৎপরতা দেখা যায়নি। এখন দেখার বিষয় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এই বিষয়টিকে কতটা গুরুত্ব দেয় এবং কোন দিকে নিয়ে যান এই অবস্হাগুলিকে।