কেরালার দেখানো পথে ওড়িশা, দেওয়া হলো ছাতা ব্যবহারের পরামর্শ, কিভাবে কাজ হবে জানুন বিস্তারিত

মানুষকে করোনা নিয়ে সতর্ক করা হচ্ছে, মানুষ যাতে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখে, মানুষ যাতে মাস্ক পরে ও মানুষ যাতে কোনও দরকার ছাড়া রাস্তায় না বের হয়। এই সবকে মাথায় রেখেই, সরকারী নির্দেশিকা মেনে চলার কথাই বলা হচ্ছে। মানুষ মানছে এই সব। কিন্তু দেখা যাচ্ছে অনেক সময় অজান্তেই হয়ে যাচ্ছে ভুল। অর্থাৎ মানুষ বাজার করতে গিয়েই একসাথে হয়ে যাচ্ছে, অনেক সময় ভিড় ঠেলেও বেরিয়ে আসতে হচ্ছে।

তাই এর হাত থেকে বাচার জন্য একটি ভালো পরামর্শ দিল ওড়িশার গঞ্জাম জেলার প্রশাসনিক স্তর। তারা এবার জানালো ছাতা ব্যবহার করার কথা। আজ্ঞে হ্যা। সবাই ছাতা ব্যবহার করলে অজান্তেই একে অপরের থেকে সহজেই দূরে থাকা যায়, তাই এবার সবাইকে এই নির্দেশ দিল। কারণ জেলার কালেক্টর বিজয় অমৃত কুলাঙ্গী সকলকে এই ছাতা ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছে।

তিনি একটি টুইটও করেছেন, সেখানে তিনি বলেছেন ছাতা ব্যবহার করলে কিভাবে মানুষ ১.৫ মিটার দূরে থাকে একে অপরের থেকে। তাহলে এটা যদি সবাই ব্যবহার করা শুরু করে তাহলে কতটা সুবিধা হবে ও সংক্রমণের পরিমাণও কমে যাবে। এই নিয়ে অনেকেই অনেক কিছু বলেছেন, ২০১৩ সালের ক্যাডারের আই এ এস আধিকারিক বলেছেন, সত্যি এটা একটা অভিনব পন্থা, ছাতা ব্যবহার করলে মানুষ অজান্তেই দূরত্ব বজায় রাখবে, কম করে হলেও ১.৫ মিটার।

আর সাথে সূর্যের তাপকেও আটকানো যাবে। এর আগে নাকি কেরলেও এই পন্থা অবলম্বন করা হয়েছিল, সেখানে একেবারে বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল এই ছাতা ব্যবহার, কারণ মানুষ না চাইলেও দূরত্ব বজায় রাখতেই হবে। কারণ করোনা থেকে বাচতে এটাই মোক্ষম একটা উপায়।।