সবজি বাজারে আগুন, দামের উত্তাপে হাতে নেওয়া যাচ্ছে না পেঁয়াজ

করোনা মহামারীর কারণে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, দেশীয় অর্থনীতি যমুনা যমুনাবিপর্যস্ত। এমনকি নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য দ্রব্যের মূল্যও আকাশ ছোঁয়া। সবজি, মাছ, মাংস সবই বহুমূল্য। সবজি বাজার যেন অগ্নিকুণ্ড। কোনো সবজির গায়েই এখন হাত ছোঁয়ানো যাচ্ছে না। আলু, পেঁয়াজ, টমেটোর মত নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজি কিনতে গিয়ে রীতিমতো গলদঘর্ম হতে হচ্ছে মধ্যবিত্তদের। দীর্ঘদিন ধরেই জ্যোতি আলুর দাম ৩৫ টাকাতেই আটকে রয়েছে। রাজ্য সরকার যতই আশ্বাস দিক না কেন, খোলাবাজারে এখনো প্রতি কেজি জ্যোতি আলুর ৩৪-৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

চন্দ্রমুখি আলুর দাম তো আরো চড়া। বাজারে প্রতি কেজি ৩৮-৪০ টাকা দরে বিকোচ্ছে চন্দ্রমুখি। পেঁয়াজের দামের ঝাঁঝেই যেন চোখ দিয়ে জল বেরোবার জোগাড়। ৪০-৫৫ টাকা কিলো দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। আদার দাম প্রতি কেজি ২০০ টাকার নিচে নামার কোনো বালাই নেই। অন্যান্য সবজির তো কথাই নেই। প্রতিকেজি কুমড়ো ৩০-৪০ টাকা, কেজিপ্রতি উচ্ছের দাম ৬০ টাকা, প্রতিপিস ফুলকপি ৩০ টাকা, প্রতি কেজি পটলের দাম ৫০-৮০ টাকা, ঢেঁড়সও প্রতি কেজি ৫০-৮০ টাকা।

পটল-ঢেঁড়সের মতো বেগুনও বিকোচ্ছে ৫০-৬০ টাকা কেজি দরে, টমেটোর দাম ৮০ টাকা প্রতি কেজি, বাঁধাকপিও ৩০ টাকা প্রতি কেজি, গাজর ৬০ টাকা প্রতি কেজি, প্রতিকেজি লঙ্কার দাম ১৫০-২০০ টাকা। বাজার করতে গিয়ে মধ্যবিত্তের পকেট রীতিমতো গড়ের মাঠ হওয়ার জোগাড়। রুই মাছ যদি গোটা হয়, তাহলে তা প্রতি কেজি ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কাটা নিলে তার দাম হবে ২০০-২২০ টাকা প্রতি কিলো। গোটা কাতলা মাছের দাম ২৫০ টাকা প্রতি কেজি, সেই কাতলাই কাটা ৩০০-৩৫০টাকা দরে বিকোচ্ছে।

অন্যান্য মাছের মধ্যে, বাটা মাছের প্রতি কেজির দাম ১৮০ টাকা, ভেটকি মাছের দাম প্রতি কেজি ৩০০-৩৫০ টাকা, গলদা চিংড়ির দাম ৮০০ টাকা প্রতি কেজি, বাগদা চিংড়িও ৮০০-১০০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মাংসের মধ্যে মুরগির মাংস এখন ১৮০ টাকা প্রতি কেজি। আর পাঁঠার মাংস কেজি প্রতি ৭০০-৭২০ টাকা উঠেছে।