OMG: মন্দিরে রাত্রিবাস করলেই গর্ভবতী হচ্ছেন নিঃসন্তান মহিলারা

সন্তান লাভ প্রত্যেক নারীর কাছেই একটি বিশাল পাওনা। প্রত্যেক নারী চায় নিজের জীবনে মাতৃত্ব।অনেকেই আছেন যাদের বহুবার চেষ্টা করলেও আসতে চায়না সন্তান। তবে আমাদের ভারতবর্ষে এমন একটি মন্দির রয়েছে যেখানে যদি এক রাত কাটানো যায়, তাহলে নিঃসন্দেহে নারীরা হয়ে পড়েন গর্ভবতী। একটি অলৌকিক বিশ্বাসে মুরে রয়েছে এই মন্দির। অনেকেই মনে করেন এটি ঈশ্বরের আশীর্বাদ।

হিমাচল প্রদেশের সিমসা মাতা মন্দির এমনই অদ্ভুত ক্ষমতার অধিকারী বলে প্রচলিত রয়েছে সেখানে। এই মন্দিরে যেকোনো নিঃসন্তান মহিলা গেলে ভগবান যেন তাঁকে আশীর্বাদ দেন। কিছু মাসের মধ্যেই সেই মহিলা হয়ে পড়েন গর্ভবতী। হিমাচল প্রদেশের সিমসা মাতা মন্দিরে নবরাত্রি সময়ে দর্শনার্থীদের ঢল হয়।হরিয়ানা চণ্ডীগড়ের বহু নিঃসন্তান মহিলারা এই মন্দিরে উপস্থিত হন নবরাত্রি সময়ে।

নবরাত্রি সময়ে এই মন্ত্রীর কে কেন্দ্র করে বিশেষ উৎসব পালন করা হয় যাকে বলা হয় সলিন্দরা। এই কথার অর্থ হল স্বপ্ন পাওয়া। এই সময় মহিলারা মন্দির চত্বরে শুয়ে থাকেন প্রতিদিন। সকলে বিশ্বাস করেন যে, একরাত্রি দেবীর আরাধনা করলেই স্বপ্ন পাবেন তারা। তাদের বিশ্বাস এই ভাবেই দেবীর আশীর্বাদ হিসেবে তাদের কোলে আসবে সন্তান।

তবে ছেলে হবে অথবা মেয়ে হবে কিনা, তাও যেনে ফেলা সম্ভব স্বপ্নের মাধ্যমে। ভক্তরা বিশ্বাস করেন যে কোন মহিলা যদি স্বপ্নে দেখেন আম, তাহলে তার পুত্র সন্তান হবে। কেউ আবার স্বপ্নে যদি দেখেন দ্যারশ, তাহলে তিনি কন্যা সন্তানের জননী হবেন। আবার কোন স্বপ্ন না দেখলে বিশ্বাস করতে হবে যে সেই মহিলা গর্ভবতী হবেন না।আবার অনেক সময় স্বপ্নে কাঠ বা পাথর দেখলে মনে করা হয় যে, সারা জীবন তাকে নিঃসন্তান থাকতে হবে।

নিঃসন্তান স্বপ্ন দেখার পরেও মন্দির থেকে মহিলা যদি সরে না যায়, তাহলে তার শরীরে লাল লাল দাগ হয়ে যায়। বিশ্বাস এবং অবিশ্বাসের ঊর্ধ্বে গিয়ে এই মন্দির কে ঘিরে বহু মানুষের মনে রয়েছে ভক্তি।