ছেলেকে একদম পছন্দ না, রাগে মাথা ফাটিয়ে সৎবাবা খুন করলো দুধের শিশুকে

খুন আত্মহত্যা সবকিছুই জানো বিশ্বের প্রতিটি কোণে হয়ে চলেছে সব সময় এবং দিনের পর দিন যেন মানুষের ক্রোধ মানুষের হিংসা যেন আরো বেড়ে চলেছে যার জন্য অপরাধের সংখ্যাও দিনে দিনে আরও বাড়তে থাকছে। বিদেশের আনাচে-কানাচে হয়ে থাকে শিশু পাচার , গর্ভস্থ শিশুকে হত্যার সমস্ত বিষয় সুতরাং দেশের প্রত্যেকটা মানুষ যে যেকোনো সময় অপরাধের শিকার হতে পারে সেটা ভাবাই যায় ।

মানুষের হিংসা ,ক্রোধ এবং লোভ এই তিনটে জিনিস এ অধঃপতনের দিকে নিয়ে যায় এবং এই অধঃপতনের দিকে নিয়ে যেতে যেতে এমন কাজ করে ফেলে যা হয়ত তার আশেপাশের মানুষ কখনো ভেবে উঠতে পারবে না। মধ্যপ্রদেশে একটি পরিবারের ছোট্ট শিশু যার বয়স মাত্র দেড় বছর। সেই শিশুকে খুন করতে হাত কাঁপলো না তার সৎ বাবার। ওই সৎ বাবার নাম বিনোদ পারবেন এবং যার বয়স ২৫ বছর।

তিনি বিয়ে করেছিলেন রোশনি আরিহার নামে একটি মেয়েকে। রোশনি বিয়ের আগেই পুত্র সন্তান জন্ম দেন, ওই বাচ্চা ছেলেটির নাম ছিল আরিয়ান এবং বয়স মাত্র দেড় বছর সে রোশনি এবং বিনদের সঙ্গে থাকতো। বিনোদ এই বাচ্চাটিকে একদমই পছন্দ করতেন না। সেই জন্য সব সময় আরিয়ানকে ঘৃণার থাকে দেখতেন। অবশেষে তার এই ঘৃণা পরিবর্তিত হল খুনে এবং তিনি ওই ছোট্ট বাচ্চাটিকে মাথা থেতলে মেরে ফেললেন।

খবর সূত্রে জানা গেছে যে বৃহস্পতিবার দিন কে রোশনি কে বাজারে পাঠিয়েছিল বিনোদ এবং তারপরে সময় সুযোগ বুঝে পরে ওই দেড় বছরে শিশুটিকে লোহার একটি রড এই বাচ্চাটির মাথায় মারে এবং তারপর আছাড় মারতে থাকে আরিয়ানকে। ওই ছোট্ট বাচ্চাটির দেহ নিষ্প্রাণ হয়ে পড়ে থাকে মাটিতে এরপরে যখন রোশনি বাজার থেকে এসেই এই অবস্থায় তাকে দেখে সঙ্গে সঙ্গে একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায় তাকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আরিয়ান কে বাঁচানো যায়নি ।

নিয়ে যখন হাসপাতালে রশিদের গেছে সেই সময়ই আরিয়ানের মৃত্যু হয়ে গেছে। রোশনি সন্দেহ করেছে যে বিনোদ তার ছেলেকে কারণ বিনোদ আরিয়ানকে একদমই পছন্দ করতো না কিন্তু ভয়ের জন্য সে পুলিশের কাছে খবর দিতে পারেনি। এরপর এই সমস্ত ঘটনা রোশনি তার ভাইকে জানায়, এরপর তার ভাই গিয়ে পুলিশকে সমস্ত ঘটনা বললে পুলিশ বিনোদকে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু বিনোদের দাবি আরিয়ান এর উপর একটি জলভর্তি বালতি পড়ে গেছিল যার জন্যই সে মারা গিয়েছে কিন্তু এইরকম পুলিশ মানতে রাজি নয়। আপাতত এই বিষয়ে তদন্ত চালানো হচ্ছে।